বুধবার রাত ৩:০০, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
কাজীপাড়া মৌলভীহাটি মসজিদের পুকুর এখন কচুক্ষেত হিন্দু থে‌কে মুসলিম, ফের হিন্দু হয়ে ‘বিবা‌হিত’ সাধু! ভাষাসৈনিক মুহম্মদ মুসার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী: তার একটি ভিডিও বক্তব্য ময়মনসিংহের কেওয়াটখালী পাওয়ার গ্রিডে আগুন: বিভাগজুড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডি: ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মৃত ২০, আশঙ্কাজনক আরো ১৯ করোনায় মারা গেলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি প্রখ্যাত সাংবাদিক রাহাত খান আর নেই ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দে মারামা‌রি: প্রশ্ন‌বিদ্ধ চেয়ারম‌্যান প্রশ্নবিদ্ধ প্রথম আলো: মাস্ক ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো জরিপ বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে মানুষ নেত্র‌কোনা হাও‌রে ভ্রম‌ণে এসে ১৭ হা‌ফেজ-আ‌লে‌মের মৃত্যু গরুর চামড়ার গোশত অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর

মাদারচুদ গালি কি পুলিশের বুলি?

৫৮৮ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ১ টি

বাজারে গিয়েছি পেপার কিনতে। পেপারের দোকানে দাড়িয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন পড়তে শুরু করলাম। প্রথম পৃষ্ঠায় একটা নিউজ পড়ে ভীষণ মর্মাহত হলাম। নিউজটা ছিল- সীরাজগঞ্জে পরপর দুই মেয়ে হওয়ায় বাবা ক্ষোভে ছোট্ট মেয়েকে পা’য়ে পিশে হত্যা করেছে! জাহেলিয়াতের যোগের মন-মানসিকতার মানুষ এখনো আছে, ভেবে অবাক হলাম। শত ধিক্কার, ঘৃণা জানায় এই পাষণ্ড পিতাকে। এই পিতানামক জানোয়ারের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

পেপার কিনে বাজার থেকে ফিরছি। পথিমধ্যে দেখলাম, ট্রাফিক পুলিশ রাস্তা ক্লিয়ার করতে গিয়ে রিকশাওয়ালাদের চুল ধরে টানছে, গালে টাস টাস চড়াচ্ছে। ‘মাদারছুত’ বলে গালাগালি করছে। রিকশাওয়ালারা কেউ কিছু বলছে না। সবাই মাথা নীচু করে দ্রুত রিকশা নিয়ে সরে যাচ্ছে। তাদের অসহায়ত্ব দেখে মনে হয়, পুলিশ কর্তৃক গালি, চড় খাওয়া-ই যেন তাদের প্রাপ্য!

আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে এই অমানবিক দৃশ্য দেখলাম। ভাবতে থাকলাম, পুলিশবাবাজীরা এই রিকশা চালকদের গাম ঝরানো শ্রমের টাকায় বেতন- ভাতা পায়। বিবি, বাচ্ছা, সংসার চালায়। যাদের গাম ঝরানো টাকায় তারা এবং তাদের পরিবার চলে, তাদের সাথে এমন অমানবিক, বর্বর আচরণ কেনো?

রিকশা চালকদের এভাবে প্রকাশ্যে নির্যাতন এবং ‘মাদারছুত’ বলে গালি দেয়ার অধিকার তাদেরকে কে দিয়েছে?

‘গালি’ দেয়া ধর্মীয় এবং সামাজিকভাবে নিষিদ্ধ। ‘গালি’ দেয়া একটি গর্হিত কাজ। পুলিশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে রাখা হয়েছে শৃংখলা রক্ষা করার জন্য। এখন তারায় যদি অশৃংখল হয়ে কদর্য ভাষায় গালি গালাজ করে শৃংখলা ভঙ্গ করে, তাহলে শৃংখলা রক্ষা করবে কে?

প্রবাদ আছে, গালি না কি পুলিশের বুলি। এই প্রবাদকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। পুলিশের আচার-ব্যবহার আরো সংযমী হতে হবে। মুখের কদর্য ভাষাকে পরিত্যাগ করতে হবে। ভাষায় মাধুর্যতা আনতে হবে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন করে হলেও পুলিশকর্তৃক গালি বন্ধ করতে হবে। আমাদের খেয়েপরে আমাদেরকে-ই ‘মাদারছুত ‘বলে গালি দিবে, তা মানা যায় না।

যেখানেই দেখবেন যে পুলিশ কাউকে গালি দিচ্ছ, সেখানেই প্রতিবাদ করুন। প্রতিরোদ গড়ে তুলুন।

জনগণকে’ মাদারছুত’ গালি দেয়ার অধিকার পুলিশ কেনো, রাষ্ট্রীয় কোনো আমলাকেই দেয়া হয়নি।

জুনায়েদ আহমেদ: শিক্ষার্থী

Some text

ক্যাটাগরি: খবর

১ কমেন্ট “মাদারচুদ গালি কি পুলিশের বুলি?

Leave a Reply

আল্লামা আহমদ শফি ও তাঁর…

সরাইলে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

হেফাজত আমির আল্লামা আহমদ শফী…