বৃহস্পতিবার রাত ৯:২২, ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন: ৬ ডিসেম্বর অবস্থান কর্মসূচী নেশার রাজ্য বাংলাদেশ: আক্রান্ত যুবসমাজ ডাক্তার নেই: সরাইল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ রিক্সা-ইজিবাইক লাইসেন্স দাবিতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া: দাবি ৫দফা ‘আটাশ দফা’ নিয়ে দফাভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা বিতর্কিত মুফতি ফয়জুল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই বিক্ষোভের ভিডিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র ‘আঁরা টোকাই ন’, সী-বিচের দুই খেটে-খাওয়া শিশু সামাজিক আন্দোলন নিয়ে তারা রাজনীতি করছে: তথ্যমন্ত্রী নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: বিক্ষুব্ধ সারাদেশ

কুরবানীর ঈদেও অলস সময় কাটা‌চ্ছে কামার শিল্পীরা

১৮৩ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ঈদুল আজহার বাকী আর মাত্র ১দিন। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কামার শিল্পীদের লোহার যন্ত্রপাতি তৈরিতে রাতভর ব্যস্ত সময় কাটানোর কথা থাকলেও তারা এখন অলস সময় কাটাচ্ছেন।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে অধিকাংশ মানুষের পশু কোরবানীতে আগ্রহ নেই। তাই ঠাকুরগাঁয়ে কামার শিল্পীদের বেহাল অবস্থা। কোরবানীর গবাদিপশু জবাই করতে এবং

মাংস তৈরীতে দা, কুঠার, ছুড়ি, চাপাতি ও কাটারী বেশি প্রয়োজন। এ যন্ত্রপাতি তৈরিতে ঠাকুরগাঁয়ের বাসস্ট্যান্ড ও জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বড় খোচাবাড়ি হাট বাজারের কামার পাড়ায় কামার শিল্পীরা রাতভর টুংটং শব্দে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল।

কিন্তু প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারনে কাজ কম তেমন না থাকায় এখন তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। কাজ নেই বললেই চলে বলে জানান কামার শিল্পী দেবনাথ কর্মকার। বাস স্ট্যান্ড এবং বড় খচাবাড়ি কামারপাড়া ঘুরে দেখাগেছে, কামার কারিগড়রা দা, বটি, কুঠার, কাটারী ও ছেনিসহ প্রয়োজনীয় লোহার যন্ত্রপাতি তৈরি করে পশরা সাজিয়ে বসে আছেন।

কিন্তু ক্রেতা নেই। দু’একজন ক্রেতা আসলেও তারা দাম কসাকসি করে চলে যাচ্ছেন নিচ্ছেন না। কামার শিল্পী রঞ্জিত কর্মকার বলেন, তেমন ক্রেতা নেই। তাই কাজও নেই। নিরবে বসে আছি। এ বছর কি অবস্থা হয় আল্লাই জানে।পাসের দোকানের এক ছেলে সুশান্ত কর্মকার বলেন, কোন ক্রেতা নাই। দুই এক জন ক্রেতা মাঝে মাঝে আসে যায়।

ঠাকুরগাঁও বড় খচাবাড়ি কামারপাড়া কাজ করেন রতন কর্মকার, তার বাসা বাসার সিংগিয়া, সে বলেন, করোনার কারনে মানুষ এখন আর কিছুই তৈরি করতে চায় না, ঈদকে সামনে রেখে তেমন কাজই নেই । কিছু কাজ হয় তা দিয়ে চলে না।তিনি আরো বলেন প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারনে মানুষের পশু কোরবানীতে আগ্রহ নেই । কোরবানীতে আগ্রহ না থাকার কারনে লোহার তৈরি যন্ত্রাংশের তেমন কদর নেই। তাই কামার শিল্পীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। এ কামার শিল্পীদের বাঁচিয়ে রাখতে সরকারীভাবে প্রনোদনা দেয়া খুবই প্রয়োজন।

মোঃ জাহিরুল ইসলামঃ ঠাকুরগাঁও থেকে 

Some text

ক্যাটাগরি: খবর

  • 37
    Shares

Leave a Reply