বৃহস্পতিবার রাত ৯:০১, ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২২শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
বিতর্কিত মুফতি ফয়জুল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই বিক্ষোভের ভিডিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র ‘আঁরা টোকাই ন’, সী-বিচের দুই খেটে-খাওয়া শিশু সামাজিক আন্দোলন নিয়ে তারা রাজনীতি করছে: তথ্যমন্ত্রী নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: বিক্ষুব্ধ সারাদেশ শিমরাইলকান্দি খাদ্যগুদামের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আবুল কাসেম ফজলুল হকের আটাশ দফা নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা সরকারি রোষে ভারত ছাড়ল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জিয়াকে নিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে তারানা-সাজুর বিরুদ্ধে মামলা করোনাক্রান্তের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যু শিমরাইলকান্দি রাস্তার সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন: মেয়রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ কাজীপাড়া মৌলভীহাটি মসজিদের পুকুর এখন কচুক্ষেত

বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসবে অসংখ্য মানুষ

৫৫ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

উত্তরের জেলা জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারো সদর উপজেলার চিলারং ও আকচা ইউনিয়নের শুক নদীর তীর বুড়ির বাঁধে চলছে মাছ ধরার উৎসব।

শনিবার ভোরের দিকে বাঁধের গেট খুলে দেয়ায় এই উৎসবে যোগ দিয়েছেন আশে পাশের গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

বুড়ির বাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য মানুষ মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। এদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। বাদ যাননি বৃদ্ধরাও। কারও হাতে পলো, কারও হাতে চাবিজাল, খেয়াজাল, টানাজাল বা ছেঁকাজাল। যাদের মাছ ধরার সরঞ্জাম নেই তারাও বসে নেই। খালি হাত দিয়েই কাঁদার মধ্যে মাছ খুঁজছে। আর নদীর পাড়ে হাজারো মানুষ ভিড় জমিয়েছে মাছ ধরা দেখতে। অনেকে মাছ না ধরলেও বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের উৎসাহ দিচ্ছেন।

ঁজানাযায়, ১৯৮০ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আচকা ও চিলারং ইউনিয়নের মাঝামাঝি এলাকায় শুক নদীর উপর একটি জলকপাট (সুইসগেইট) নির্মাণ করা হয়। জলকপাটে আটকে থাকা সেই পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদফতরের উদ্যোগে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়া হয়। আর শীতের শুরুতেই বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ার পর মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এভাবেই প্রতিবছর চলে বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসব।

ঠাকুরগাঁও জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আব্দুল আজিজ জানান,প্রতিবারই এই বুড়ির বাঁধ এলাকায় আমাদের উদ্যোগে পোনা ছাড়া হয়। এটি আমরা জুলাই মাসের দিকে দিয়ে থাকি এবং শীতের শুরুতেই আবার বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ার পর মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এভাবেই প্রতিবছর চলে বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসব।

Some text

ক্যাটাগরি: নাগরিক সাংবাদিকতা

  • 9
    Shares

Leave a Reply

কুপ্রথার বেড়াজালে বিয়ে [১]