সোমবার বিকাল ৫:৩৮, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ৩রা আগস্ট, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
গরুর চামড়ার গোশত অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর অথৈ জলে ভাসছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিম্নাঞ্চল (ভিডিও) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফেন্সিডিলসহ আটক ত্রিমু‌খী দু‌র্যো‌গেও জ‌মে উঠে‌ছে ঐ‌তিহ‌্যবাহী না‌জিরপুর কুরবা‌নী হাট ব্রাহ্মণবাড়িয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের হার্ট অ্যাটাক! দুর্গাপু‌রে কে‌ন বাড়‌ছে আত্মহত‌্যা, প্র‌তিকার কী? সাংবাদিক সম্মেলনে গোঁজামিল বক্তব্য: ফেঁসে গেলেন ডাঃ সাঈদ শাহেদের আরেক নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডাক্তার সাঈদ করোনায় মারা গেলেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন মারা গেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা মারা গেলেন কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর

পুরুষের পূর্ণতা : অতঃপর ভয়াবহ সংকট, শুক্রাণু ও নারী

জাকির মাহদিন

যে কণা দিয়ে মানুষের সৃষ্টি, সেই একই কণা যখন শরীরে ফিরে আসে, এ কণার চাপ শরীর বহন করতে পারে না। এ কণার চাপে ছেলে-মেয়েরা অস্থির হয়ে যায়, উন্মাদ হয়ে যায়। ব্যাপারটা উল্টো হয়ে গেল না? এ কণা তো হওয়ার কথা জীবনের সহায়ক। জীবনবোধ ও জীবনের অনুভূতি গ্রহণে এ কণার উপস্থিতি অপরিহার্য ছিল।

মানুষের জীবনটা বিষম কঠিন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এত কঠিন? আরেকটু সহজ হলেও তো পারতো। উত্তর হচ্ছে- না, এরচেয়ে সহজ আর হয় না। মানুষের সম্ভাব্য শক্তি ও সামর্থ্যের মাত্রানুপাতে জীবন কঠিন হওয়াই স্বাভাবিক। এই কঠিন স্তরগুলো মানসিকভাবে, চিন্তা ও জ্ঞানগতভাবে খুব সহজেই মোকাবেলা করা যায়। সর্বাপেক্ষা অসহায়, দুর্বল ও বঞ্চিতদের প্রতি দৃষ্টিপাতের মাধ্যমে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা যায়। যাদের হাত-পা, চোখ-কান, ধন-সম্পদ বা অন্য অনেক কিছুই নেই।

আকাশের রঙ, মানুষের মন, মুহূর্তে মুহূর্তে হয় পরিবর্তন- এটা একটা প্রবাদ। কথাটা ঠিক, তবে আরো ঠিক হবে তুলনাটা নারীদের সঙ্গে করলে। কথাটা হতে পারে এমন- আকাশের রং ও নারীর মন, মুহূর্তে মুহূর্তে হয় পরিবর্তন। নারীরা কখন কী ভাবে, কখন কী চায় তারা নিজেরাও জানে না। তবে এটাও ঠিক, এরা যেমন আবেগী, তেমন আবেগ নিয়ন্ত্রণও করতে পারে পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি। এদের সিদ্ধান্ত কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি স্থায়ী এবং বাস্তবম্মত। এরপরও তাদের সমস্যার শেষ নেই। কারণ তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাহ্যিক ও ক্ষণভঙ্গুর বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য দেয়।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলের কাছে এ পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সম্পদ কী? উত্তর, একজন গুণী স্ত্রী (মা-বাবার বিষয়টি অন্য হিসাব)। নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। আমি মনে করি, মা-বাবার পর একজন ছেলের কাছে একজন গুণী ও ভালো স্ত্রীই শ্রেষ্ঠ সম্পদ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ‘গুণী’ ও ‘ভালো’ বলতে কী বোঝায়? অথবা একজন মেয়ের এ দুটো গুণ বা বৈশিষ্ট্য কতটুকু আছে কি নেই তা আমরা বুঝব কী করে? হ্যাঁ, এটা বোঝা খুবই কঠিন। সবাই এটা বুঝবে না। তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা, যে বুঝতে যাবে তাকেও ভালো ও গুণী হতে হবে, অন্তত কিছু পরিমাণে হলেও।

যে কণা দিয়ে মানুষের সৃষ্টি, সেই একই কণা যখন শরীরে ফিরে আসে, এ কণার চাপ শরীর বহন করতে পারে না। এ কণার চাপে ছেলে-মেয়েরা অস্থির হয়ে যায়, উন্মাদ হয়ে যায়। ব্যাপারটা উল্টো হয়ে গেল না? এ কণা তো হওয়ার কথা জীবনের সহায়ক। জীবনবোধ ও জীবনের অনুভূতি গ্রহণে এ কণার উপস্থিতি অপরিহার্য ছিল। অথচ একে আমরা অশান্তি উৎপাদক, উত্তেজক ও পাগলামীতে ব্যবহার করছি। সারাজীবন এর ভোগেই ডুবে থাকতে চাচ্ছি। এ কণা থেকে কোনোই শিক্ষা নিচ্ছি না।

মানুষের ‘জন্ম-মৃত্যু-জীবন’ নিয়ে প্রচুর চিন্তা-ভাবনা প্রয়োজন। নইলে জীবন সম্পর্কে হতাশা, চরম মূর্খতা, অশান্তি ও মিথ্যা অনুভূতি থেকে বাঁচা সম্ভব নয়। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে চিন্তা করতে পারা যৌনভোগের চেয়েও অনেক তৃপ্তিদায়ক। এ বিষয়ক চিন্তা ও জ্ঞানের কাছে ক্ষমতা, ভোগ, অর্থ ইত্যাদি অতি তুচ্ছ।

কোন্ বিষয় আমাদের বিভ্রান্ত করছে? কেন আমরা ক্ষণভঙ্গুর অসীম-কামনা-বাসনায় মেতে উঠেছি? কথিত সম্মান, শিক্ষা, ডিগ্রি, ক্ষমতা, অর্থ কি মানুষকে শান্তি দিতে পারে? পারছে? এ বিষয়গুলো নিয়ে কোনো মেয়ের চিন্তা করার যথেষ্ট সুযোগ না থাকলে, জ্ঞান যথেষ্ট পরিষ্কার না হলে তাকে দিয়ে আটকে পড়া মেয়েদের উদ্ধারের কাজ চলতে পারে না। কারণ সে নিজেই আটকে পড়া! আবার যে পুরুষ সেই মেয়েকে পরিচালনা করবে তাকেও যৌন-কামনা-বাসনা থেকে মুক্ত হতে হবে।

মানুষের ‘জন্ম-মৃত্যু-জীবন’ নিয়ে প্রচুর চিন্তা-ভাবনা প্রয়োজন। নইলে জীবন সম্পর্কে হতাশা, চরম মূর্খতা, অশান্তি ও মিথ্যা অনুভূতি থেকে বাঁচা সম্ভব নয়। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে চিন্তা করতে পারা যৌনভোগের চেয়েও অনেক তৃপ্তিদায়ক। এ বিষয়ক চিন্তা ও জ্ঞানের কাছে ক্ষমতা, ভোগ, অর্থ ইত্যাদি অতি তুচ্ছ।

রাস্তায় বের হলে প্রচুর রঙ-বেরঙের ছেলেমেয়ে চোখে পড়ে। বিশেষ করে সাজুগুজু করা, সুন্দরী, ফর্সা মেয়েও শুধু শহরে নয়, গ্রামগঞ্জেও প্রচুর। এদের দেখলে যে কোনো ছেলের মাথা ঘুরে যাবে। অবিবাহিত ছেলেদের তো অবশ্যই, বিবাহিতদের অবস্থা আরো বেশি খারাপ। কেন? কারণ মানুষ সীমাহীন চাহিদাসম্পন্ন সৃষ্টি। জীবনদর্শন ও সৃষ্টিদর্শনের আলোকে ভোগপ্রবণতা ও কামনা-বাসনা অর্থাৎ পশুপ্রবৃত্তিটা ভেতর থেকে মারতে না পারলে এটা যত পাবে তত বাড়বে। শারীরিকভাবে অক্ষম, পঙ্গু, বৃদ্ধও এ পশুপ্রবৃত্তির যন্ত্রণাদায়ক থাবা থেকে বাঁচার পথ নেই। যদি সৃষ্টিদর্শন ও জীবনদর্শন চর্চার মধ্যে না থাকে। তাই তো এক শ্রেণির মানুষ ও নাস্তিকরা অবাধ যৌন স্বাধীনতার জন্য ‘সংগ্রাম’ করে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ধর্মের গতানুগতিক শিক্ষা-নামাজ-রোজা-হজ্জ-যাকাত পালনের দ্বারা এ পশুপ্রবৃত্তি থেকে মুক্তির পথ নেই। কোথাও কোথাও এমনও ঘটে, ধর্মীয় বড় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, তাহাজ্জুদগুজারী, নামকরা দরবেশ-বুযুর্গ তাহাজ্জুদের আগে বা পরে স্বয়ং মসজিদের ভেতর সমকামিতায় লিপ্ত হয়। জ্ঞানহীন, প্রাণহীন, স্বাদহীন নামাজ-জিকির-তাহাজ্জুদ এ কণার চাপ মোকাবেলার শারীরিক মানসিক সামর্থ্য বিকশিত করছে না, করতে পারছে না।

মানুষের জীবনের প্রকৃত অবস্থাটা এমনভাবে সাজানো, দীর্ঘ আশা করার, অহংকার করার, প্রবল প্রতাপশালী একক কোনো শক্তি ছাড়া অন্যকারো প্রতি মানসিক আকর্ষণবোধ করার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। পূর্ণবয়স্ক ছেলে-মেয়ে বা অধিক বয়সী নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি প্রবৃত্তিগত আকর্ষণবোধ গুপ্ত শিরক। এ আকর্ষণের চাপে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে নিজেদের তো শারীরিক মানসিক ক্ষতি হবেই, সন্তানও দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির সম্মুখীন হবে। মানুষের মনুষ্যত্ব ও মানসিক শ্রেষ্ঠত্বের প্রকাশ্য প্রমাণ এ সন্তানদের থেকে পাওয়া যাবে না।

আরো পড়ুন- বেকারদের বিয়ে এবং পতিতা ও পাত্রীর সাদৃশ্য

আমরা চারপাশে যেসব মানুষ দেখি, মানবসন্তান দেখি, সচরাচর এরা মানবিক শ্রেষ্ঠত্ব বহন করে না। বংশগতভাবে বাধাপ্রাপ্ত। সূক্ষ্মতম মানসিক টান, যৌন আকর্ষণ, দ্বান্দ্বিক অনুভূতি, অশান্তি ও অস্থির-উত্তেজক অবস্থা ইত্যাদিতে আটকে পড়া। বয়সের সাথে সাথে সমস্যা বাড়তে থাকে। এ জাতীয় সমস্যায় আমি নিজেও আক্রান্ত। নইলে যৌনচিন্তা আমাকে হয়রান-পেরেশান করতে পারত না। শুধু হয়রান-পেরেশান নয়, কোনো কোনো সময় এটা মৃত্যুসম কষ্টের কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

পৃথিবী বদলানো সহজ, কিন্তু একজন ভবিষ্যৎ মাকে (নারীকে) বদলানো কঠিন। কারণ একজন ভবিষ্যৎ মা-মেয়ে-নারীকে বদলাতে হলে নিজেকেও বদলাতে হয়। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে শক্তিটা লাগে, তা হচ্ছে জ্ঞান ও চিন্তা। জ্ঞান-চিন্তা ছাড়া, পৃথিবীর সমস্ত বুদ্ধি একত্রিত করেও একজন নারীর মোকাবেলা করতে পারে না।

আমরা চারপাশে যেসব মানুষ দেখি, মানবসন্তান দেখি, সচরাচর এরা মানবিক শ্রেষ্ঠত্ব বহন করে না। বংশগতভাবে বাধাপ্রাপ্ত। সূক্ষ্মতম মানসিক টান, যৌন আকর্ষণ, দ্বান্দ্বিক অনুভূতি, অশান্তি ও অস্থির-উত্তেজক অবস্থা ইত্যাদিতে আটকে পড়া। বয়সের সাথে সাথে সমস্যা বাড়তে থাকে। এ জাতীয় সমস্যায় আমি নিজেও আক্রান্ত। নইলে যৌনচিন্তা আমাকে হয়রান-পেরেশান করতে পারত না। শুধু হয়রান-পেরেশান নয়, কোনো কোনো সময় এটা মৃত্যুসম কষ্টের কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

নারী এক বিশাল শক্তি। নারী এক উদ্ঘাটন-বহির্ভূত রহস্য। নারী বদলালে পৃথিবী বদলে যায়। ইংল্যান্ড বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, রাশিয়া বিশ্ব পরিবর্তন করে ফেলেছে, আমেরিকা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা সম্মিলিতভাবে গত পাঁচশত বছরে মাত্র একজন মানুষকেও বদলাতে পারেনি। পশুর স্তর থেকে মানুষের স্তরে উন্নীত করতে পারেনি। বরং অসংখ্য মানুষকে পশুর চেয়েও জঘন্য স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। সংশয়বাদ, বিবর্তনবাদ ও ভোগবাদের হিংস্র থাবা বসিয়েছে। জীবনের সঠিক শিক্ষা ও বোধ বিকশিত করতে পারেনি। জীবনের সঠিক তথ্য দিতে পারেনি। টাকা ও ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবী বদলানো যায়, মানুষ বদলানো যায় না। মানুষ বদলাতে জ্ঞানগত শক্তি ও আদর্শ লাগে। জীবনের সঠিক বোধ, চিন্তা ও অনুশীলন লাগে।

মানুষ সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে জটিল সৃষ্টি। তারচেয়েও জটিল সৃষ্টি নারী। একজন মেয়ে বা নারী কখন কী চায় সে নিজেও জানে না। তার নিজের পক্ষে জানাও সম্ভব নয়। পুরুষ যদি চিন্তা ও জ্ঞানজগতের গভীর তলদেশ থেকে নারীদের জন্য কিছু না নিয়ে আসে, তবে নারীর নিজের সম্পর্কে অনেক কিছুই অজানা থেকে যাবে। সুতরাং এক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের সহযোগিতা করতে হবে। গভীর চিন্তা ও জ্ঞানের পথে নারীগণ পুরুষদের সহযোগিতা না করলে সবার জন্যই মূর্খতা ও বিপদ অনিবার্য।

জীবন এমনই এক ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকটময় বিষয়, যার প্রকৃত রূপটা দর্শন করতে পারলে সমস্ত সুখ-ভোগের ইচ্ছা মুহূর্তেই বদলে যায়। জীবনের সৃষ্টি, জন্ম, বিকাশ, মুখাপেক্ষিতা, সংকট, সমস্যা প্রভৃতি প্রতিটি বিষয়কে আলাদা আলাদাভাবে বুঝতে হবে। জীবন কী? অথবা জীবনের সংজ্ঞা কী? জীবন হচ্ছে অসংখ্য দুঃখ-কষ্টের সমাহার। জীবন মানেই দুঃখ ও কষ্ট। জীবন মানেই নিরন্তর সংগ্রাম। জীবন মানে একটা জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড। জীবন মানেই চেষ্টা, সাধনা, বিরামহীন প্রার্থনা। এর বাইরে জীবন বলতে কিছু নেই। এর বাইরে জীবনের কোনো অস্তিত্ব নেই। যারা মনে করে জীবন মানে সুখ, জীবন মানে আরাম, জীবন মানে বিশ্রাম, তাদের জীবনে দুঃখ-কষ্ট-অশান্তির শেষ নেই। তারা জীবনের একটা পর্যায়ে নিজেদের মানুষ হিসেবে ভাবতে পারে না। মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

যে এই জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের উপর দিয়ে বীরদর্পে হেঁটে যেতে পারে, যে জীবনের পরতে পরতে বিছিয়ে রাখা দুঃখ-কষ্টগুলোকে হাসিমুখে আলিঙ্গন করতে পারে, নিরন্তর সংগ্রাম, সাধনা, প্রার্থনা দিয়ে এসবকে জ্ঞান ও শক্তিতে রূপান্তরিত করত পারে, তার কাছে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মধুময়। সীমাহীন দুঃখ-কষ্ট-সংগ্রামের ভেতর দিয়েও জীবন তার কাছে পরম সুখ, পরম প্রাপ্তি, পরম ভালোবাসা।

জাকির মাহদিন : সাংবাদিক, কলামিস্ট

zakirmahdin@yahoo.com

ক্যাটাগরি: নারী,  প্রধান কলাম,  সম্পাদকের কলাম

ট্যাগ: জাকির মাহদিন

Leave a Reply