বৃহস্পতিবার রাত ৮:০৯, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২৮শে মে, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
কপিপেস্ট সাংবাদিকতা বিষয়ে কথাগুলো আমারই: দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি দেশ দর্শনে “সম্পাদকের লাইভ” নামে সাপ্তাহিক আলোচনা (ভিডিও) সরাইল সদরের মৃৎ শিল্পীদের দুর্দিন রাজধানীর ব্যাংকগুলো করোনার অভয়াশ্রম দুর্গাপুরে চলছে কপিপেস্ট সাংবাদিকতা: ক্ষুব্ধ সচেতন মহল করোনাকে বাংলাদেশের ঈদের দাওয়াত ‘সেলফি দানবীরদের’ বিরিয়ানি বিতরণ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও দৈহিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই! একজন রিকশাওয়ালার আর্তনাদ: মুখে ভাষা নেই করোনারোধে আগের তুলনায় মানুষ বেশি ধর্মমুখী হচ্ছে মসজিদ খুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ‘আলেমদের’ ধন্যবাদ জানানোর হিড়িক তিতাস নদী কচুরিপানায় ভরপুর: ভোগান্তিতে কৃষক ও এলাকাবাসী

তিতাস নদী কচুরিপানায় ভরপুর: ভোগান্তিতে কৃষক ও এলাকাবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা এখনো পর্যন্ত এসব পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা সম্পর্কে জনগণের অভিযোগ বিস্তর। কেউ কেউ সরাসরি পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন।

কৃষকদের ধান কাটার এই ভরামৌসুমেও রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী অবাঞ্চিত কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে আছে। এতে কোনোপ্রকার নৌকা চলাচল করতে পারছে না। বিশেষ করে ক্ষেতে ধান পেকে নষ্ট হলেও কৃষকগণ তা কেটে বাড়িতে আনতে পারছেন না। অন্যদিকে তিতাসপূর্বাঞ্চলের বিশাল একটা হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সঙ্গে যাতায়াতের একমাত্র পথ এই তিতাস নদী। তিতাসপূর্বাঞ্চলের বিজয়নগর থানার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার আওতাধীন মনিপুর, ইসলামপুর, দত্তখলার প্রচুর মানুষ আটকা পড়ে আছে গত দুমাস ধরে। সদর ও শহরে চিকিৎসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনেও তারা যাতায়াত করতে পারছেন না।

নদীপাড়ের মানুষদের অভিযোগ, প্রতিবছর এমন সময়ে দীর্ঘদিন তাদের এই দূর্ভোগ পোহাতে হয়। এ সময় কচুরিপানার কারণে নদী পারাপারে অনেক সময় ও মাঝিদের প্রচুর শারীরিক শ্রম ব্যয় হয়। কৃষকরা চর থেকে ধান কেটে নৌকা করে আনতে খুব সমস্যায় পড়েন। নদীপাড়ের মানুষরা তখন নদীতে গোসলও করতে পারে না। আর কচুরিপানার পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে এসব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং বর্তমানে তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

এতোসব সমস্যা থাকার পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা এখনো পর্যন্ত এসব পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা সম্পর্কে জনগণের অভিযোগ বিস্তর। কেউ কেউ সরাসরি পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। করোনাকালীন ত্রাণের কোনোকিছুই গরিব-দুঃখী মানুষ ও কৃষকগণ পাচ্ছেন না। কৃষিসংক্রান্ত কোনো বিষয়েও ন্যূনতম কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। ত্রাণের চাল ও রেশন কার্ড ওয়ার্ড কমিশনারদের হাত হয়ে চলে যাচ্ছে নিজেদের কিছু নির্দিষ্ট লোক ও বড়লোকদের ঘরে বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে নায়ার কবীরের সঙ্গে কথা বলতে দেশ দর্শন থেকে গত দুদিন ধরে পৌরসভার টিএন্ডটি নাম্বারে একাধিকবার ফোন করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে পৌরসভাধীন শিমরাইলকান্দি ও ভাদুঘরের একাংশ নিয়ে গঠিত ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল হাই ডাবলু দেশ দর্শনকে জানান, পৌরসভার সমস্ত কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র বিশেষ সময়ে একজন সচিব বসেন। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং হলে আমাদের ডাক আসে। আর নদীতে কচুরিপানা পরিষ্কারের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব। পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের এতে কিছুই করার নেই। অন্যদিকে আমরা করোনা মোকাবেলায় ব্যস্ত থাকায় অন্যকোনোদিকে নজর দিতে পারছি না।

 

ইতিহাস-ঐতিহ্য,  ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  ভিডিও নিউজ,  শীর্ষ তিন

Leave a Reply