, .
সর্বশেষ খবর:
দিল্লিতে উপদেষ্টা হয়রানী: কিছু জরুরি বিষয় চট্টগ্রামে ভাঙ্গারী দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ১ শিশুদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর দলদাসত্বমূলক বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সাথে সাক্ষাতে ইন্টারকম সুবিধা চট্টগ্রামে বিএনপি’র সাফল্য চট্টগ্রামে একই গ্রাম থেকে ৩ জন এমপি! চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট: ১০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য থমকে গেছে! চট্টগ্রামে কারখানায় বিস্ফোরণ: ৩ শ্রমিক আহত সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ‘গণজোটের’ বিবৃতি হাফেজ আবুল হাসান কুমিল্লার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল ‘আমার স্ত্রী মাকসুদাকে মেরে ফেলেছি, আমাকে থানায় নিয়ে যান’

দিল্লিতে উপদেষ্টা হয়রানী: কিছু জরুরি বিষয়

সাইয়েদ ইকরাম শাফী

সিকিউরিটি চেকের নামে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ইন্ডিয়ার রাজধানী নয়াদিল্লি ইন্দিরা গান্ধি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আটকে রাখার বিষয় নিয়ে কয়দিন দেশে তোলপাড় চলেছে। ইন্ডিয়ার ঘটনা। তাই ইন্ডিয়ান মিডিয়ার তথ্য নিয়ে আলোচনা করছি। এ বিষয়ে ইন্ডিয়ান অনলাইন মিডিয়া TheWire.in-এ প্রকাশিত রিপোর্টটি তুলে ধরছি।

Bangladesh Prime Minister’s Adviser on Policy and Strategy Affairs Zahed ur Rahman returned to Dhaka on Monday (June 15) after declining to enter India following more than two-hour hold-up by immigration authorities at Delhi airport.

Rahman arrived at Delhi’s Indira Gandhi International Airport on Sunday (June 14) to attend the June 15-16 meeting of senior officials of the Indian Ocean Rim Association (IORA), where he was due to lead Bangladesh’s delegation.

Diplomatic sources said Bangladesh High Commissioner to India M. Riaz Hamidullah was present at the airport and identified Rahman to immigration authorities. Indian officials had also been informed in advance that he would be leading Bangladesh’s delegation, the sources added.

According to the sources, other members of the Bangladeshi delegation cleared immigration without difficulty while Rahman remained held up for more than two hours. After waiting for over two and half hours, Rahman decided not to proceed with the visit and informed officials that he would return to Dhaka, the sources said.

They added that Indian officials subsequently informed him that the issue could be resolved and urged him to continue with the visit. However, Rahman chose not to enter India and instead travelled onward to Colombo before returning to Dhaka. TheWire.in, 15.06.2026

এ রিপোর্টের ট্রান্সলেশন বা তরজমার সারমর্ম: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসী ও স্ট্রাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ইন্ডিয়া সফরে গিয়ে দিল্লি ইন্দিরা গান্ধি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিকিউরিটি চেক ও জেরার মুখে বাংলাদেশ ফেরৎ এসেছেন। মি. রহমান ১৫-১৬ জুন দুদিনব্যাপী অনুষ্টিতব্য ওশান রিম এসোসিয়েশন (আইওআরআই) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে যোগ দিতে ১৪ জুন ইন্ডিয়ার দিল্লি ইন্দিরা গান্ধি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছেছিলেন।

এ রিপোর্টের ট্রান্সলেশন বা তরজমার সারমর্ম: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসী ও স্ট্রাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ইন্ডিয়া সফরে গিয়ে দিল্লি ইন্দিরা গান্ধি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিকিউরিটি চেক ও জেরার মুখে বাংলাদেশ ফেরৎ এসেছেন। মি. রহমান ১৫-১৬ জুন দুদিনব্যাপী অনুষ্টিতব্য ওশান রিম এসোসিয়েশন (আইওআরআই) সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে যোগ দিতে ১৪ জুন ইন্ডিয়ার দিল্লি ইন্দিরা গান্ধি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছেছিলেন।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ইন্ডিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ এয়ারপোর্টে উপস্থিত থেকে উপদেষ্টাকে সনাক্ত করেন। এ সূত্র জানায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা কোনো হয়রানী ছাড়া ছাড় পায়।

মি. জাহেদকে আড়াই ঘন্টা আটকে রাখা হয়। শেষে সিকিউরিটি ছাড় পেলেও তিনি আর ইন্ডিয়া প্রবেশ করেননি। তিনি কলম্বো হয়ে ঢাকা ফেরেন। দ্যা ওয়াইর.ইন, ১৫.০৬.২০২৬ইং। উল্লেখ্য যে, ইন্ডিয়ান মিডিয়া দ্যা ওয়াইর.ইন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের পদবী লেখার সময় তথ্য শব্দটি বাদ দিয়েছে।

মি. জাহেদ দেশে এসে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, নিজের সম্মান রক্ষায় তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। হাসিনার আমলে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অ্যাক্টিভিটিজ নিয়ে ইন্ডিয়ার অস্বস্তি থাকা স্বাভাবিক। যদিওবা ২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর তার নীতিগত অবস্থান ইউটার্ণ হয়েছে। তার ইউটিউব চ্যানেল ইন্ডিয়ায় ব্লকড করা আছে। জাহেদের মতো আরো অনেক সাংবাদিক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও বুদ্ধিজীবীর ইউটিউব চ্যানেল ইন্ডিয়ায় ব্লকড আছে।

মি. জাহেদ দেশে এসে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, নিজের সম্মান রক্ষায় তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। হাসিনার আমলে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অ্যাক্টিভিটিজ নিয়ে ইন্ডিয়ার অস্বস্তি থাকা স্বাভাবিক। যদিওবা ২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর তার নীতিগত অবস্থান ইউটার্ণ হয়েছে। তার ইউটিউব চ্যানেল ইন্ডিয়ায় ব্লকড করা আছে। জাহেদের মতো আরো অনেক সাংবাদিক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও বুদ্ধিজীবীর ইউটিউব চ্যানেল ইন্ডিয়ায় ব্লকড আছে।

ইন্ডিয়ান সরকার বিদেশের বিশেষ করে বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তি বিশেষকে সিকিউরিটি থ্রেট হিসেবে চিহ্নিত করলে সে ব্যক্তির প্রোফাইল ইন্টারিয়র মিনিস্ট্রির সিকিউরিটি বিভাগে সংরক্ষিত রাখে। সিকিউরিটি থ্রেট বিষয়ে দুনিয়ার সবদেশের নিয়ম প্রায় একই। ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার কারণে বর্তমান ইন্ডিয়ান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞায় রেখেছিল। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবার আগ পর্যন্ত মোদী যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করতে পারেননি।

এ বিষয়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে  নিজের সাথে যা হয়েছে তার প্রতিবাদ হিসেবে ইন্ডিয়ায় প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

ইন্ডিয়ান এয়ারপোর্টের ঘটনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘পত্রপত্রিকায় যা যা দেখছেন, নানা সূত্র থেকে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার মিডিয়ায় যা যা এসেছে, আসলে ঘটনাগুলো ঠিক এ রকমই ঘটেছে। আমি আমার জায়গা থেকে খুব অল্প কথা বলি। আমি ওখানে একটা ব্যক্তি হিসেবে যাইনি-এ সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছি। ফলে আমার সাথে সেখানে যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হলো যে আমাদের ইনস্ট্যান্ট একটা প্রতিবাদ করা দরকার। সে কারণেই আমি আসলে ব্যাক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

কূটনৈতিক পাসপোর্ট কোনো কারণ ছিল না উল্লেখ করে কারণ হিসেবে ডা. জাহেদ বলেন,  আমার পাসপোর্টে সার্ক স্টিকার দেয়া আছে। তার মানে কূটনৈতিক পাসপোর্ট যেভাবে কাজ করে সেভাবেই কাজ করার কথা। সুতরাং এটা কোনো কারণ না। সূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুন ২০২৬ইং। বিস্তারিত নিউজ লিঙ্ক: https://shorturl.at/Gawpd

এখানে মূল বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকারের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স Warrant of Precedence এবং রুলস অব বিজনেস Rules of Business অনুযায়ী জাহেদ উর রহমান প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা। তিনি একজন ভিআইপি। বিদেশ সফরে গেলে তিনি কূটনৈতিক বা অফিসিয়াল লাল পাসপোর্ট বহন করবেন। তিনি সাধারণ পাসপোর্টে কেন রাষ্ট্রীয় সফরে ইন্ডিয়া গিয়েছিলেন? এ মূল প্রশ্নটা কোনো সাংবাদিক তাকে করেনি।

সার্ক দেশের স্টীকার দেয়া পাসপোর্ট আর কূটনৈতিক পাসপোর্ট কি এক? দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) কি অ্যাকটিভ আছে? ইন্ডিয়ার অসহযোগিতার কারণে এ সংস্থাটি এখন মৃত হাতি। এখানে মি. জাহেদ দেশের সম্মানের কথা বলেছেন। তিনি যতই দেশের সম্মানের কথা বলুন না কেন-দেশের সম্মান যা নষ্ট হবার তা হয়ে গেছে।

মি. জাহেদের ব্যক্তিগত সম্মানও কি অক্ষুন্ন আছে? প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাকে আড়াই ঘন্টা সিকিউরিটি চেকআপের নামে বিদেশের এয়ারপোর্টে আটকে থাকতে হলে ব্যক্তির সম্মান আর অক্ষুন্ন থাকে কি? এ বিষয়টি বুঝার জন্য রকেট সাইন্টিস্ট হতে হয় না।

এখানে মূল বিষয় হলো: একজন কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী ব্যক্তি সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ সফর করতে পারেন না। এটা অপরাধ। এ ধরণের অপরাধের জন্য একজন প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছিল।

সেটা ১৯৯৬ সালের ঘটনা। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাদারীপুরের সৈয়দ আবুল হোসেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৯ সালে পুনরায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবার পর সৈয়দ আবুল হোসেনকে যোগাযোগ মন্ত্রী করা হয়। পদ্মা ব্রিজের দূর্নীতির বিষয়ে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অভিযোগের কারণে তার মন্ত্রিত্ব চয়ে যায়। সৈয়দ আবুল হোসেন মূলত একজন ব্যবসায়ী।

১৯৯৬ সালে নিজের ব্যবসায়িক কাজে তিনি সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করে সিঙ্গাপুর সফরে গিয়েছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে মিডিয়ায় রিপোর্ট হলে চারিদিকে তোলপাড় শুরু হয়। আত্মপক্ষ সমর্থন করে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছিলেন, এটা তার ব্যক্তিগত সফর, সরকারি সফর নয়। আইন পর্যালোচনা করে দেখা যায় কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী ব্যক্তি কোন কারণেই সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ সফর করতে পারেন না। শেষ পর্যন্ত সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এটা একটা দৃষ্টান্ত।

মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী মি. জাহেদ সাধারণ পাসপোর্ট বহন করেছেন। এ জন্যই দিল্লি এয়ারপোর্টে তাকে আটকে দেয়া হয়েছিল। ২০০৭ সালের পর থেকে ইন্ডিয়ার প্রতি এ দেশের মানুষ মারাত্মক ক্ষুব্ধ। এর প্রধান কারণ ১/১১ সরকার ও পতিত হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিতর্কিত ভূমিকা।

“অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে” কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ন্যায়দণ্ড কবিতার  একটি পঙক্তি। এ পঙক্তির সারমর্ম হলো: ব্যক্তি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে যদি আপনি সৎ থাকতে চান তাহলে আপনাকে অন্যায়, অনিয়ম ও দূনীর্তির ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। অন্যায় ও অনিয়ম যতোই ক্ষুদ্র হোক না কেন। মি. জাহেদ নিজের ভুল ও অনিয়মকে এড়িয়ে আবেগকে ওপরে ওঠাতে চেয়েছেন।

দাড়ি রাখার কারণে ইন্ডিয়ার এয়ারপোর্টগুলোতে বাংলাদেশী হয়রানী এবং হোটেলে সিট না দেয়ার বিষয়সহ নানারকম হয়রানী তো আছেই। সেটা অন্য প্রসঙ্গ। মি. জাহেদ সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে ইন্ডিয়ার এয়ারপোর্টে হয়রানীর শিকার হয়েছেন। কূটনৈতিক পাসপোর্ট বহন করলে বিষয়টি ভিন্ন হতো। তিনি অনিয়ম ও পাসপোর্ট বিধি লঙ্ঘন করেছেন। এখানে ভুল ও অন্যায়টা তার। তার ভুলের কারণে ইন্ডিয়ান এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট শয়তানীটা করার সুযোগ পেয়েছে।

ইন্ডিয়ার এয়ারপোর্টে সিকিউরিটি চেকে আটকে থাকার বিষয়ে মি. জাহেদের আবেগপূর্ণ বক্তব্যের কোনো মূল্য নেই। ইন্ডিয়ার যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং দেশটির সাথে জাতীয় স্বার্থে মর্যাদাপূর্ণ ডিল করতে হলে আবেগ নয়-মেরুদন্ড শক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের মাথায় রাখা বিশেষ জরুরি।   

অনেকে বলেন, উপদেষ্টা মি. জাহেদ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভক্ত। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতার পঙক্তি উল্লেখ করছি। “অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে” এটা ”ন্যায়দণ্ড” কবিতার একটি পঙক্তি। এ পঙক্তির সারমর্ম হলো: ব্যক্তি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে যদি আপনি সৎ থাকতে চান তাহলে আপনাকে অন্যায়, অনিয়ম ও দূনীর্তির ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। সেটা যতোই ক্ষুদ্র হোক না কেন। মি. জাহেদ নিজের ভুল ও অনিয়মকে এড়িয়ে আবেগকে ওপরে ওঠাতে চেয়েছেন। রাষ্ট্রের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স Warrant of Precedence, রুলস অব বিজনেস Rules of Business ও প্রটোকল Protocol ছেলেখেলা নয়। সেটা সবার অনুধাবন করা উচিত।

ইন্ডিয়ার এয়ারপোর্টে সিকিউরিটি চেকে আটকে থাকার বিষয়ে মি. জাহেদের আবেগপূর্ণ বক্তব্যের কোনো মূল্য নেই। ইন্ডিয়ার যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং দেশটির সাথে জাতীয় স্বার্থে মর্যাদাপূর্ণ ডিল করতে হলে আবেগ নয়-মেরুদন্ড শক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের মাথায় রাখা বিশেষ জরুরি।

ক্যাটাগরি: উপসম্পাদকীয়,  প্রধান খবর,  বিশেষ প্রতিবেদন,  মন্তব্য প্রতিবেদন

ট্যাগ: এই পোস্টের জন্য কোনো ট্যাগ নির্ধারিত হয়নি।

Leave a Reply