শুক্রবার সকাল ৬:১৯, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
বাংলা‌দে‌শে ৯ লাখ মুসলমান খ্রিস্টান হ‌য়ে‌ছে: খ্রিস্টান ফাদার মুফতি নুরুল্লার ছেলে বেলায়েতুল্লাহ নুর আর নেই ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন: ৬ ডিসেম্বর অবস্থান কর্মসূচী নেশার রাজ্য বাংলাদেশ: আক্রান্ত যুবসমাজ ডাক্তার নেই: সরাইল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ রিক্সা-ইজিবাইক লাইসেন্স দাবিতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া: দাবি ৫দফা ‘আটাশ দফা’ নিয়ে দফাভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা বিতর্কিত মুফতি ফয়জুল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই বিক্ষোভের ভিডিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র ‘আঁরা টোকাই ন’, সী-বিচের দুই খেটে-খাওয়া শিশু

দুঃখই জীবনকে পরিপূর্ণতা দেয়

জাকির মাহদিন

মানুষ মাত্র পঞ্চাশ-একশো বছর বাঁচতে জন্ম নেয়নি। মানুষ এমন এক শক্তি, এর ভেতরে এক সীমাহীন শক্তি ও সীমাহীন আশা-আকাঙ্ক্ষা বসবাস করে।

দুঃখই জীবন ও জীবনের মূল্যকে উপলব্ধি করতে শেখায়। দুঃখই জীবনকে পরিপূর্ণতা দান করে। অবশ্য যদি দুঃখকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যায়। মানসিক দুঃখ-যাতনা ছাড়া জীবন অর্থহীন। দুঃখ-কষ্ট না থাকলে পশু-পাখী ও অন্যান্য প্রাণীর সাথে মানুষের জীবনের কোনো মৌলিক পার্থক্য থাকে না।

অথচ মানুষ গণ্ডমূর্খের মতো সারাজীবন একে ভয় পায়। এ থেকে দৌড়ে পালায়। যতসব কর্ম ও চেষ্টা-তদবীর- সব দুঃখ-কষ্ট থেকে বাঁচার জন্যই। কিন্তু পরিশেষে আবার এর খপ্পড়েই পড়তে হয়। কেন? কারণ পৃথিবীতে আসার অন্যতম উদ্দেশ্যই তো দুঃখ-কষ্টের মুখোমুখি হয়ে জীবনের পরিচয় নেয়া। জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করা। সহ্যসীমার ভেতরে উচ্চতর দুঃখ-কষ্ট ছাড়া জীবনকে বুঝার ও সঠিক পথে পরিচালিত করার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।

আরো পড়ুন> জন্মনিয়ন্ত্রণ করুন, জন্মহত্যা নয়

প্রশ্ন আসবে, তাহলে দুঃখ-কষ্টের দ্বারা কারো মৃত্যু হলে জীবনের এই পরিচয় ও উপলব্ধি কী কাজে লাগবে? হ্যাঁ, মূল প্রশ্নটা তো এখানেই। মানুষ মাত্র পঞ্চাশ-একশো বছর বাঁচতে জন্ম নেয়নি। মানুষ এমন এক শক্তি, এর ভেতরে এক সীমাহীন শক্তি ও সীমাহীন আশা-আকাঙ্ক্ষা বসবাস করে। এর কোনো মৃত্যু নেই, তবে রূপান্তর আছে। হয় এটি চিরস্থায়ী যন্ত্রণায় রূপান্তরিত হবে, নতুবা চিরস্থায়ী শান্তিতে।

মানুষের জীবন যদি সীমতই হতো, তাহলে এর ভেতরে সীমাহীন আশা-আকাঙ্ক্ষা বসবাস দূরের কথা, ঢুকতেই পারতো না। আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এতসব আবিষ্কারে মানুষ নিজের প্রতি হতাশ। অধিকাংশ ধর্মীয় ও অন্যান্য লোকজন মানুষকে বিভিন্ন বস্তু ও প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করে দৃষ্টান্ত দেয়। অথচ মৌলিক জায়গায় মানুষ ব্যতিক্রম ও অনন্য। সৃষ্টিজগতে একমাত্র মানুষই সীমাহীন সুখ, শান্তি, চেন্তা-চেতনা ও বেঁচে থাকার আশা-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে।

জাকির মাহদিন : সাংবাদিক ও কলামিস্ট।সম্পাদক, দেশ দর্শন

zakirmahdin@gmail.com

ক্যাটাগরি: মিনি কলাম

ট্যাগ: জাকির মাহদিন,  সম্পাদকের মিনি কলাম

  • 111
    Shares

Leave a Reply