বৃহস্পতিবার রাত ১০:১১, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২৮শে মে, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
কপিপেস্ট সাংবাদিকতা বিষয়ে কথাগুলো আমারই: দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি দেশ দর্শনে “সম্পাদকের লাইভ” নামে সাপ্তাহিক আলোচনা (ভিডিও) সরাইল সদরের মৃৎ শিল্পীদের দুর্দিন রাজধানীর ব্যাংকগুলো করোনার অভয়াশ্রম দুর্গাপুরে চলছে কপিপেস্ট সাংবাদিকতা: ক্ষুব্ধ সচেতন মহল করোনাকে বাংলাদেশের ঈদের দাওয়াত ‘সেলফি দানবীরদের’ বিরিয়ানি বিতরণ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও দৈহিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই! একজন রিকশাওয়ালার আর্তনাদ: মুখে ভাষা নেই করোনারোধে আগের তুলনায় মানুষ বেশি ধর্মমুখী হচ্ছে মসজিদ খুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ‘আলেমদের’ ধন্যবাদ জানানোর হিড়িক তিতাস নদী কচুরিপানায় ভরপুর: ভোগান্তিতে কৃষক ও এলাকাবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডাক্তার ছেলের করোনা আক্রান্ত জেলায় স্বেচ্ছায় বদলি

ছাইদুর রহমান ইমন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালক প্রশাসনের তথ্য মতে, এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো চিকিৎসকের আবেদনপত্র, যিনি স্বেচ্ছায় করোনা হাসপাতালে নিজের বদলী চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছেন।

তিনি ডাঃ মশিউর রহমান। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহকারী সার্জন। করোনা হাসপাতালে সেবাদানের জন্য তিনি গত ২৫ এপ্রিল স্বেচ্ছায় নিজের বদলী চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করেছেন। যেন তাকে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ যে কোনো অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ জেলার করোনা হাসপাতালে নিয়োগ দেয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালক প্রশাসনের তথ্য মতে, এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো চিকিৎসকের আবেদনপত্র, যিনি স্বেচ্ছায় করোনা হাসপাতালে নিজের বদলী চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছেন। তৎক্ষণাৎ আবেদনপত্রটি মন্জুর হলে ২৭ তারিখ তার বদলী আদেশ জারি হয়। যার সুবাদে গত ৩০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলার ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা হাসপাতালে তিনি যোগ দেন।

ডাঃ মশিউরের আবেদনপত্র ও বদলীর আদেশ

তার এ ধরনের কাজ, অর্থাৎ সংকটকে এড়িয়ে না গিয়ে দৃঢ়চিত্তে সংকট মোকাবেলায় নিয়োজিত হওয়ার এই সুন্দর প্রচেষ্টা বহু ডাক্তার ও মানুষের অনুপ্রেরণা হতে পারে। দেশ দর্শনকে তিনি জানান, বর্তমানে তার কর্মস্থল নারায়নগঞ্জের সেই হাসপাতালে ৭ জন ডাক্তার, ৭ জন নার্সসহ মোট ১৯জন স্বাস্থকর্মী সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবু তিনি ভীত নন, বরং আরো সতর্ক হয়ে আগের চেয়েও বেশি সেবা দিতে চেষ্টা করছেন।

ডাঃ মশিউরের বর্তমান কর্মস্থল

এদিকে তার মা দেশ দর্শনকে বলেন, তিনি তার ছেলের এরকম একটি মহৎ কাজে নিজেকে অত্যন্ত গর্বিতবোধ করছেন। তার বাবা অর্থাৎ ডাঃ মশিউরের নানাও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে আহত হয়েছিলেন। তবুও তিনি যুদ্ধ থেকে পলায়ন করেননি। ডাঃ মশিউরের বদলির আবেদপত্রেও এ বিষয়টির উল্লেখ দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ডাঃ মশিউর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের শিমরাইলকান্দি গ্রামের সন্তান। তিনি শিক্ষক বজলুর রহমান এর বড় ছেলে। বজলুর রহমান একজন আদর্শ শিক্ষক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের শিমরাইলকান্দি, কলেজপাড়া, কান্দিপাড়া, কাজিপাড়াসহ পুরো শহরেই তার প্রচুর ছাত্রছাত্রী ও  গুণগ্রাহী রয়েছে।

ছাইদুর রহমান ইমন : স্টাফ রিপোর্টার

প্রধান খবর,  শীর্ষ তিন,  সারাদেশ

  • 2.4K
    Shares

Leave a Reply