সোমবার সন্ধ্যা ৭:১১, ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন: ৬ ডিসেম্বর অবস্থান কর্মসূচী নেশার রাজ্য বাংলাদেশ: আক্রান্ত যুবসমাজ ডাক্তার নেই: সরাইল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ রিক্সা-ইজিবাইক লাইসেন্স দাবিতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া: দাবি ৫দফা ‘আটাশ দফা’ নিয়ে দফাভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা বিতর্কিত মুফতি ফয়জুল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই বিক্ষোভের ভিডিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র ‘আঁরা টোকাই ন’, সী-বিচের দুই খেটে-খাওয়া শিশু সামাজিক আন্দোলন নিয়ে তারা রাজনীতি করছে: তথ্যমন্ত্রী নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: বিক্ষুব্ধ সারাদেশ

শিমরাইলকান্দি খাদ্যগুদামের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ছবি ফেসবুক থেকে নেয়া

রিক্সা দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বালির ট্র্যাক্টর সেই রিক্সাকে চাপা দেয়। এতে রিক্সাড্রাইভার ও যাত্রী আরিফ গুরুতর আহত হলে তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে আরিফ মারা যায়।

আজ রবিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের শিমরাইলকান্দি খাদ্যগুদামের সামনে (কেউ বলছেন চাষীভবনের সামনে যে বালি ফেলে রাখা হয়েছে সেখানে, সেই মোড়ে) আরিফ আহমেদ (২৩) এক যুবক আকস্মিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তিনি শিমরাইলকান্দি বিএডিসি মসজিদের ইমাম মাছুম বিল্লাহর আপন ভাগ্নে। আরিফের বাবা আজাদ আহমেদ, শিমরাইলকান্দি হাজিবাড়িতে তাদের বসবাস।

জানা যায়, রিক্সা দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বালির ট্র্যাক্টর সেই রিক্সাকে চাপা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, রাস্তার একপাশে বিশৃঙ্খলভাবে বালি ফেলে রাখার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে রিক্সার ড্রাইভার ও যাত্রী আরিফ গুরুতর আহত হলে তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে আরিফ মারা যায়। আর গুরুতর আহত অবস্থায় অটো ড্রাইভার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতা ট্র্যাকটি আটক করে রেখেছে, কিন্তু ট্র্যাক ড্রাইভার পালিয়ে যায়।

নিহত আরিফ: ছবি- দেশ দর্শন

এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, আরিফ আহমেদের মরদের তাদের নিজবাড়ি শিমরাইলকান্দি হাজীবাড়িতে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। খবর পেয়ে মরদেহ দেখতে উপস্থিত হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার দায়িত্বরত দুজন পুলিশ কর্মকর্তা। একজনের নাম জানা যায় মোতালেব (এসআই), অন্যজন তার সহযোগী সোহরাব।

আরিফের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় এলাকাসীও স্তব্ধ-শোকাহত। এভাবে এলাকার একটি লোকাল রাস্তায় এমন দুর্ঘটনা অস্বাভাবিক এবং এই রোডে এই প্রথম এমন দুর্ঘটনা এবং তাতে কেউ নিহত হওয়া। আরিফের বড় ভাই খালেদ আহমেদ ও তার বাবা দেশ দর্শনকে জানান, একটা হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। আবাসিক এলাকার ভেতরে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

সংশোধিত

রাত ১০টা ১০ মিনিট

 

ক্যাটাগরি: প্রধান খবর,  ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  শীর্ষ তিন

ট্যাগ:

Leave a Reply