সোমবার রাত ৩:৩৮, ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
বিতর্কিত মুফতি ফয়জুল্লার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই বিক্ষোভের ভিডিও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র ‘আঁরা টোকাই ন’, সী-বিচের দুই খেটে-খাওয়া শিশু সামাজিক আন্দোলন নিয়ে তারা রাজনীতি করছে: তথ্যমন্ত্রী নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: বিক্ষুব্ধ সারাদেশ শিমরাইলকান্দি খাদ্যগুদামের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আবুল কাসেম ফজলুল হকের আটাশ দফা নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা সরকারি রোষে ভারত ছাড়ল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জিয়াকে নিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে তারানা-সাজুর বিরুদ্ধে মামলা করোনাক্রান্তের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যু শিমরাইলকান্দি রাস্তার সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন: মেয়রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ কাজীপাড়া মৌলভীহাটি মসজিদের পুকুর এখন কচুক্ষেত

সড়কে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করুন

সম্পাদকের দফতর থেকে

প্রতিটি দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়, তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়। তবু কেন কমছে না সড়ক দুর্ঘটনা? তবে কি মামলাগুলো শুধু ডায়েরি আকারে রয়ে যায় থানার স্টোর রুমে? যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা ও পুলিশি তৎপরতা বহাল থাকলে এ মহাসড়কে দুর্ঘটনটার হার নিশ্চয় কমে আসত।

প্রায় প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনাই অত্যন্ত মর্মান্তিক। এর ফলে ঝরে পড়ছে অসংখ্য প্রাণ। কে নেবে এর দায়ভার? সরকার, যানবাহন মালিক, নাকি পরিবার নিজেই? দুর্ঘটনার দু’চার দিন পর তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাউকে খোঁজে পাওয়া যায় না।

মিডিয়া শুধু সংবাদ প্রকাশের উদ্দেশ্যেই নিউজ কাভার করে থাকে। এর বাইরে তাদের তেমন একটা দায়িত্ববোধ, চিন্তা ও সময় নেই বললেই চলে। অন্যদিকে দুর্ঘটনা-পরবর্তী সময়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারের তথ্য প্রায়শই অজানা থেকে যায় আমাদের কাছে। দুর্ঘটনাগুলোর জন্য অসচেতনতাকেই দায়ী করা হয় বেশি। আমাদের দেশের বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনাই হয়ে থাকে অনুন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের কারণে। পরিকল্পনা সঠিকভাবে না হওয়ার ফলে রাস্তাগুলো প্রায়শই জনবহুল এলাকার পাশ দিয়ে নির্মিত হয়ে থাকে।

 

 

গতকাল (২৯ আগস্ট) ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বৈশ্বমুড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৩ জন। তবে দুর্ঘটনা-কবলিত গাড়ির চালক সম্পর্কে মিডিয়া থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো তথ্য জানা যায়নি। ‘এনা’র চালকদের অদক্ষতা আর বেপরোয়া গতিতে বাস চালানোর কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৩৬ কিলোমিটার অংশে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় মরছে সাধারণ মানুষ। আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করছে অনেকেই। এছাড়াও শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক পরিবহনের বাসগুলো যাত্রীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার নামে মহাসড়কে ওভারটেকিং করে দ্রুতগতির প্রতিযোগিতায় নামে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে এসব পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসগুলো।

প্রতিটি দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়, তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়। তবু কেন কমছে না সড়ক দুর্ঘটনা? তবে কি মামলাগুলো শুধু ডায়েরি আকারে রয়ে যায় থানার স্টোর রুমে? যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা ও পুলিশি তৎপরতা বহাল থাকলে এ মহাসড়কে দুর্ঘটনার হার নিশ্চয় কমে আসত।

এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও (সরকারি-বেসরকারিভাবে) নিতে হবে। তার ওপর রাস্তাগুলোতে বাঁকও থাকে প্রচুর। দুই লাইন বিশিষ্ট অধিকাংশ রাস্তাতেই রোডলাইন ডিভাইডার রং দিয়ে আঁকা হয়ে থাকে। পৃথক কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। সড়কে নিরাপত্তা প্রদানের ব্যবস্থায় সরকারের নজরদারি আরো জোরদার করা আবশ্যক।

শরীফ উদ্দীন রনি : বার্তা সম্পাদক, দেশ দর্শন

 

ক্যাটাগরি: সম্পাদকীয়,  সারাদেশ

ট্যাগ:

Leave a Reply