বিএনপি'র অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের আরেকজন নেতাকে একইভাবে হত্যা করা হয়। যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না এবং কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিনই ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা শরিফ ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যা সারা বিশ্বে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এবং তা এখনো চলমান। এরই মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড। বিশেষ করে গতকাল বিএনপি’র অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের আরেকজন নেতাকে একইভাবে হত্যা করা হয়। যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না এবং কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
এরই প্রেক্ষিতে ‘জাতীয় গণজোটের’ অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে দলের চেয়ারম্যান জাকির মাহদিনের নাম উল্লেখ করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।এতে বলা হয়, “নির্বাচনকেন্দ্রিক সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কোনোভাবে নির্বাচন হয়ে গেলেও যে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ঘটবে- এমনটাও জাতীয় গণজোট মনে করছে না।
আরো বলা হয়, “এমতাবস্থায় আশুকরণীয় নির্ধারণে জাতীয় ব্যক্তিত্ব, জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি একটি বিশেষ বৈঠক আয়োজনের অনুরোধ করছি। আমরা আর জান-মালের এমন ক্ষয়ক্ষতি ও বেদনাদায়ক পরিস্থিতি চাই না। জাতির ক্রমাগত অবনতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় চাই না। -বিনীত: জাকির মাহদিন, চেয়ারম্যান: জাতীয় গণজোট।”
ক্যাটাগরি: প্রধান খবর, শীর্ষ তিন
