সোমবার দুপুর ১২:৪৪, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং
প্রতিবেদন
শিখো-শিখাও পদ্ধতিতে নতুন মডেলের স্কুল হিন্দু থে‌কে মুসলিম, ফের হিন্দু হয়ে ‘বিবা‌হিত’ সাধু! ভাষাসৈনিক মুহম্মদ মুসার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী: তার একটি ভিডিও বক্তব্য ময়মনসিংহের কেওয়াটখালী পাওয়ার গ্রিডে আগুন: বিভাগজুড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডি: ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মৃত ২০, আশঙ্কাজনক আরো ১৯ করোনায় মারা গেলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি প্রখ্যাত সাংবাদিক রাহাত খান আর নেই ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দে মারামা‌রি: প্রশ্ন‌বিদ্ধ চেয়ারম‌্যান প্রশ্নবিদ্ধ প্রথম আলো: মাস্ক ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো জরিপ বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে মানুষ নেত্র‌কোনা হাও‌রে ভ্রম‌ণে এসে ১৭ হা‌ফেজ-আ‌লে‌মের মৃত্যু গরুর চামড়ার গোশত অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর

বিএনপি মিডিয়া ও সাংবাদিকবিমুখ

জিবলু রহমান

বামপন্থী দলগুলো টিকে আছে মিডিয়ার সমর্থনে। এ ছাড়া মিডিয়ার অঙ্গ প্রচারপত্র, সংকলন, গবেষণাগ্রন্থ, সাময়িকী, দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক সংবাদপত্রতো তারা প্রকাশ করে তাদের দলের আদর্শকে জানিয়ে দেয়।

মিডিয়ার প্রচারে বিএনপি পেছনে কেন? আজকের দুনিয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্র মিডিয়ার প্রচার। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশ ইরাকে হামলা করতে পেরেছিলো তথাকথিত মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণার বলে। আফগানিস্তানেও একই কারণ। পাকিস্তান ভারতের সাথে বুদ্ধিযুদ্ধে হেরে যাচ্ছে। কারণ তাদের মিডিয়া এমনসব কৌশল অবলম্বন করে যাতে পাকিস্তানের বক্তব্য মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।

আমাদের দেশের বামপন্থী দলগুলো টিকে আছে মিডিয়ার সমর্থনে। এ ছাড়া মিডিয়ার অঙ্গ প্রচারপত্র, সংকলন, গবেষণাগ্রন্থ, সাময়িকী, দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক সংবাদপত্রতো তারা প্রকাশ করে তাদের দলের আদর্শকে জানিয়ে দেয়।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনসহ সমর্থক গোষ্ঠী দেশের আনাচেকানাচে থেকে প্রায়ই তথ্যসম্বলিত বিভিন্ন প্রকাশনা করে বিতরণ বা বিক্রি করে। আজকের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সময় শেখ ফজজুল করিম সেলিমের দৈনিক বাংলার বাণীর সহকারী সম্পাদক ছিলেন। তিনি এমনই ব্যক্তিত্ব, কাউকে তার সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তারা চট করে উত্তর দেয় সামাজিক ও যোগাযোগপ্রিয় মানুষ ওবায়দুল ভাই। সেটা আওয়ামীপন্থী সাংবাদিক বলেন বা বিএনপিরপন্থী।

১৯৯৭ সালে বিএনপির সমর্থনে সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা বের হতো। ফেনীর মাহবুবুল আলম তারার মালিকানাধীন অগ্রযাত্রার সম্পাদক ছিলেন মারুফ কামাল খান। অগ্রযাত্রা যখন জনপ্রিয় হয়ে উঠলো তখন এই মারুফ কামাল খানরা পত্রিকাটি কিভাবে বন্ধ করা যায় সে মতলব আঁটলো। তাই হলো।

আমাদের বিএনপি প্রচারপত্র, সংকলন, গবেষণাগ্রন্থ, সাময়িকী, দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক সংবাদপত্রতো দূরে থাক জাতীয় বা সাপ্তাহিক সংবাদপত্রের কর্ণধারদের সাথেও সুসম্পর্ক রাখে না। অগণিত চ্যানেলের সাংবাদিকদের খবর রাখে না।

১৯৯৭ সালে বিএনপির সমর্থনে সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা বের হতো। ফেনীর মাহবুবুল আলম তারার মালিকানাধীন অগ্রযাত্রার সম্পাদক ছিলেন মারুফ কামাল খান। অগ্রযাত্রা যখন জনপ্রিয় হয়ে উঠলো তখন এই মারুফ কামাল খানরা পত্রিকাটি কিভাবে বন্ধ করা যায় সে মতলব আঁটলো। তাই হলো। আওয়ামী দুঃশাসনের বিরোধী একটি পত্রিকার মৃত্যু হলো।

একই সময় আজকের বিএনপির নেতা ড. আসাদুজ্জামান রিপন সম্পাদিত সাপ্তাহিক জনতার ডাক জনপ্রিয় হলো। জনতার ডাকও এক সময় হারিয়ে গেল। পত্রিকা দুটোতো আমি প্রতি সাপ্তাহে লিখতাম। আওয়ামী শাসনের সঠিক তথ্যের যোগানদাতা সংবাদপত্রের সম্ভাবনার হাতছানির ডানাটা পরিকল্পিতভাবে কেটে দেয়া হলো।

জিবলু রহমান : লেখক ও কলামিস্ট
jiblu78.rahman@gmail.com

ক্যাটাগরি: মিনি কলাম

ট্যাগ:

One response to “বিএনপি মিডিয়া ও সাংবাদিকবিমুখ”

  1. মাহফুজুর রহমান পুষ্প says:

    কথা ঠিক

Leave a Reply