সোমবার সন্ধ্যা ৬:১৯, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
ক‌রোনায় ১৭ জন সাংস‌দের মৃত্যু: দ্বিতীয় ঢেউয়ে আ‌রো শতাধিক আক্রান্ত পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এখন ডাস্টবিন হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারী গণগ্রন্থাগার ধ্বংস (ভিডিও) মোদীবিরোধী বিক্ষোভে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত ১, আহত অনেক এমপি মোকতাদিরের অনুদানপ্রাপ্ত বৃদ্ধার সাক্ষাৎকার ও ধর্মানুভূতি বাংলা‌দে‌শে ৯ লাখ মুসলমান খ্রিস্টান হ‌য়ে‌ছে: খ্রিস্টান ফাদার মুফতি নুরুল্লার ছেলে বেলায়েতুল্লাহ নুর আর নেই ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন: ৬ ডিসেম্বর অবস্থান কর্মসূচী নেশার রাজ্য বাংলাদেশ: আক্রান্ত যুবসমাজ ডাক্তার নেই: সরাইল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ

তিতাস নদী কচুরিপানায় ভরপুর: ভোগান্তিতে কৃষক ও এলাকাবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

কৃষকদের ধান কাটার এই ভরামৌসুমেও রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী অবাঞ্চিত কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে আছে। এতে কোনোপ্রকার নৌকা চলাচল করতে পারছে না। বিশেষ করে ক্ষেতে ধান পেকে নষ্ট হলেও কৃষকগণ তা কেটে বাড়িতে আনতে পারছেন না। অন্যদিকে তিতাসপূর্বাঞ্চলের বিশাল একটা হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সঙ্গে যাতায়াতের একমাত্র পথ এই তিতাস নদী। তিতাসপূর্বাঞ্চলের বিজয়নগর থানার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার আওতাধীন মনিপুর, ইসলামপুর, দত্তখলার প্রচুর মানুষ আটকা পড়ে আছে গত দুমাস ধরে। সদর ও শহরে চিকিৎসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনেও তারা যাতায়াত করতে পারছেন না।

নদীপাড়ের মানুষদের অভিযোগ, প্রতিবছর এমন সময়ে দীর্ঘদিন তাদের এই দূর্ভোগ পোহাতে হয়। এ সময় কচুরিপানার কারণে নদী পারাপারে অনেক সময় ও মাঝিদের প্রচুর শারীরিক শ্রম ব্যয় হয়। কৃষকরা চর থেকে ধান কেটে নৌকা করে আনতে খুব সমস্যায় পড়েন। নদীপাড়ের মানুষরা তখন নদীতে গোসলও করতে পারে না। আর কচুরিপানার পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে এসব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং বর্তমানে তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

এতোসব সমস্যা থাকার পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা এখনো পর্যন্ত এসব পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা সম্পর্কে জনগণের অভিযোগ বিস্তর। কেউ কেউ সরাসরি পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। করোনাকালীন ত্রাণের কোনোকিছুই গরিব-দুঃখী মানুষ ও কৃষকগণ পাচ্ছেন না। কৃষিসংক্রান্ত কোনো বিষয়েও ন্যূনতম কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। ত্রাণের চাল ও রেশন কার্ড ওয়ার্ড কমিশনারদের হাত হয়ে চলে যাচ্ছে নিজেদের কিছু নির্দিষ্ট লোক ও বড়লোকদের ঘরে বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে নায়ার কবীরের সঙ্গে কথা বলতে দেশ দর্শন থেকে গত দুদিন ধরে পৌরসভার টিএন্ডটি নাম্বারে একাধিকবার ফোন করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে পৌরসভাধীন শিমরাইলকান্দি ও ভাদুঘরের একাংশ নিয়ে গঠিত ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল হাই ডাবলু দেশ দর্শনকে জানান, পৌরসভার সমস্ত কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র বিশেষ সময়ে একজন সচিব বসেন। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং হলে আমাদের ডাক আসে। আর নদীতে কচুরিপানা পরিষ্কারের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব। পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের এতে কিছুই করার নেই। অন্যদিকে আমরা করোনা মোকাবেলায় ব্যস্ত থাকায় অন্যকোনোদিকে নজর দিতে পারছি না।

Comments are closed.