শনিবার সকাল ১০:১২, ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ৮ই মে, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
দুই শর্তে কওমিদের সঙ্গে সমঝোতা হতে পারে: মোকতাদির চৌধুরী এম‌পি করোনায় সমগ্র ভারত এখন শ্মশানে পরিণত কোণঠাসা হেফাজত: আলোচনায় সমাধান চায় ক‌রোনায় ১৭ জন সাংস‌দের মৃত্যু: দ্বিতীয় ঢেউয়ে আ‌রো শতাধিক আক্রান্ত পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এখন ডাস্টবিন হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারী গণগ্রন্থাগার ধ্বংস (ভিডিও) মোদীবিরোধী বিক্ষোভে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত ১, আহত অনেক এমপি মোকতাদিরের অনুদানপ্রাপ্ত বৃদ্ধার সাক্ষাৎকার ও ধর্মানুভূতি বাংলা‌দে‌শে ৯ লাখ মুসলমান খ্রিস্টান হ‌য়ে‌ছে: খ্রিস্টান ফাদার মুফতি নুরুল্লার ছেলে বেলায়েতুল্লাহ নুর আর নেই ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ

রমজানের দ্বিতীয় দশক বা মাগফিরাত কী?

২৬৩ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

মহান রাব্বুল আলামীন মহিমান্বিত রমজান মাসে বান্দার জন্য তিনটি সুবর্ণ সুযোগ রেখেছেন। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। হযরত সালমান (ফার্সি) রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে।
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, রমজান এমন এক মাস, যার শুরুতে রহমত, মাঝে মাগফিরাত এবং শেষে জাহান্নাম থেকে মুক্তি। (ইবন খুজাইমা ১৮৮৭)(মিশকাত)
রমজান মূলত পুরোটাই রহমতের। প্রথম দশকে আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দারা রহমতে সিক্ত হয়ে যায়। রমজানের শুরুতেই তারা পবিত্র মাসের পূর্ণ বরকত পেতে থাকে।
দ্বিতীয় দশকে যাদের ছোট খাটো পাপ আছে তারা নিজেদের সব পাপ মাফ করিয়ে নিতে পারে।
তিরমিজির হাদিসে রয়েছে, ‘প্রতি রাতেই জাহান্নাম থেকে অসংখ্য মানুষকে মুক্ত করা হয় রমজানে।’

আলঙ্কারিক বা প্রতীকী অর্থে রহমত মাগফিরাত ও নাজাত শব্দ ত্রয়ের ব্যবহার হয়েছে।
মাগফিরাত শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অসংখ্য গুণাবলীর মাঝে অন্যতম একটি গুণ হলো তিনি ক্ষমাশীল। এ জন্য আল্লাহ তায়ালার অপর একটি নাম হলো ‘আল-গাফুর’। আর ‘গাফুর’ শব্দের বাংলা অর্থ হলো ‘ক্ষমাশীল’। বান্দা যেন তার সারা বছরের কৃত সব গুনাহ থেকে মুক্তি পেতে পারে, এই জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রমজান মাসের দ্বিতীয় দশককে মাগফিরাত তথা ক্ষমা লাভের দিন হিসেবে ধার্য করেছেন।রেখেছেন অফুরন্ত ক্ষমার ভাণ্ডার।

পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেন- ‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম (গুনাহ) করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হইও না, নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল , পরম দয়ালু। ( সুরা আয -যুমার ৫৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন- ‘তারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না কেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে না কেন ? আল্লাহ যে ক্ষমাশীল, দয়ালু।(সুরা মায়িদা- ৭৪)

তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা দ্বারা আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক মজবুত হয়। হাদিসে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ১০০ বার করে ইস্তেগফার করতেন। হাদিসে কুদসিতে এসেছে : আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘হে আমার বান্দারা, তোমরা দিনরাত গুনাহ করে থাক। আমি তোমাদের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেব। তোমরা ইস্তেগফার করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব।(মুসলিম)

সব রোজাদারই পাপমুক্ত নির্মলতায় স্নিগ্ধ হয়ে ঈদ উদযাপন করে। রোজার শেষে ঈদ দেয়ার তাৎপর্যও এখান থেকেই স্পষ্ট হয়।

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদের সবাইকে এ রমজানে নিজেদের সত্যিকার মুমিন মুসলিম হওয়ার তাওফিক দিন। আমীন।

 

 

 

Some text

ক্যাটাগরি: ধর্ম

Leave a Reply

তুলনা হবে শুধু নিজের সাথে…

নাজাত কী (রমজানের শেষ দশক)…