শনিবার সকাল ৯:৩৮, ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ৮ই মে, ২০২১ ইং
প্রতিবেদন
দুই শর্তে কওমিদের সঙ্গে সমঝোতা হতে পারে: মোকতাদির চৌধুরী এম‌পি করোনায় সমগ্র ভারত এখন শ্মশানে পরিণত কোণঠাসা হেফাজত: আলোচনায় সমাধান চায় ক‌রোনায় ১৭ জন সাংস‌দের মৃত্যু: দ্বিতীয় ঢেউয়ে আ‌রো শতাধিক আক্রান্ত পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এখন ডাস্টবিন হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সরকারী গণগ্রন্থাগার ধ্বংস (ভিডিও) মোদীবিরোধী বিক্ষোভে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত ১, আহত অনেক এমপি মোকতাদিরের অনুদানপ্রাপ্ত বৃদ্ধার সাক্ষাৎকার ও ধর্মানুভূতি বাংলা‌দে‌শে ৯ লাখ মুসলমান খ্রিস্টান হ‌য়ে‌ছে: খ্রিস্টান ফাদার মুফতি নুরুল্লার ছেলে বেলায়েতুল্লাহ নুর আর নেই ওয়াজ-মাহ‌ফিলগুলো এখন মেলায় প‌রিণত: মুফতী জামালুদ্দীন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান: এখনো পানিবন্দি ৩৬ হাজার মানুষ

ঠাকুরগাঁওয়ে অলৌকিক আগুনে ঘটনা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও আর্থিক সহায়তা

১৭৪ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের
সাবাজপুরে অলৌকিক আগুনে ঘটনা পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক ড.কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ওই গ্রামে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুর কুতুবুল আলম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিনুল ইসলাম, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোবায়ের হোসেন, ডিবি পুলিশের ওসি রফিকুল ইসলাম,বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল,বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল হক প্রধান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দীলিপ কুমার চ্যাটার্জি (বাবু) সহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম গ্রামবাসীকে জানান, আপাতত প্রতিটি বাড়িতে একজন করে গ্রাম পুলিশ রেখে সার্বক্ষনিক পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়াও এর মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে সুরাহা না হলে ঢাকা হতে সংশ্লিষ্ট টিম আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পরে ক্ষতিগ্রস্থ ১০টি পরিবারের মাঝে প্রত্যেক পরিবারকে ৩ বান টিন এবং ৯ হাজার টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, ওই গ্রামে গত মাসের ২৯ তারিখে শবে বরাতের রাতে প্রথম আগুনের সুত্রপাত হয়। ওইদিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও পরের দিন ৩০ মার্চ আগুনে ৩টি পরিবারের ঘর-বাড়ীসহ আসবাবপত্র পুড়ে যায়। বর্তমানেও বিভিন্ন বাড়িতে আগুন লাগছে। এ অবস্থায় গ্রামের ২৫টি পরিবার আতংকে দিন রাত পাহারা দিচ্ছেন বাড়ির জিনিসপত্র। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর দাবি অলৌকিক ভাবে প্রতিদিন ৩-৪ বার আগুন ধরছে বাড়ীর বিভিন্ন স্থানে।

Some text

ক্যাটাগরি: নাগরিক সাংবাদিকতা

Leave a Reply

তুলনা হবে শুধু নিজের সাথে…

নাজাত কী (রমজানের শেষ দশক)…

আলোর পথের সন্ধানে পর্ব-২