, .
সর্বশেষ খবর:
দিল্লিতে উপদেষ্টা হয়রানী: কিছু জরুরি বিষয় চট্টগ্রামে ভাঙ্গারী দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ১ শিশুদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর দলদাসত্বমূলক বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সাথে সাক্ষাতে ইন্টারকম সুবিধা চট্টগ্রামে বিএনপি’র সাফল্য চট্টগ্রামে একই গ্রাম থেকে ৩ জন এমপি! চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট: ১০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য থমকে গেছে! চট্টগ্রামে কারখানায় বিস্ফোরণ: ৩ শ্রমিক আহত সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ‘গণজোটের’ বিবৃতি হাফেজ আবুল হাসান কুমিল্লার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল ‘আমার স্ত্রী মাকসুদাকে মেরে ফেলেছি, আমাকে থানায় নিয়ে যান’

ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রীর আত্মহত্যা ও ইন্টালেকচুয়াল প্রস্টিটিউট!

২৩৪ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি
জুয়েল হাসান সাদ্দাম। নামের স্টাইল দেখুন! জুয়েল আবার হাসান হয় কি করে? ইদানিং হৃদয় হোসেন, শুভ হোসেন, প্রান্ত, সীমান্ত, আকাশ, বাতাস, নদী নামগুলো অহরহ দেখা যায়। একজন মুসলিমের প্রথম পরিচয় তার নাম দিয়ে।
বাঙ্গালী মুসলিম শুধু ধর্মীয় বিষয়ে গাফেল নয় সন্তানের নাম রাখার বিষয়ে আরো বেশি গাফেল। নব্বই দশকের পর সাদ্দাম নামটি বাংলাদেশে ব্যাপক ভাবে প্রচলিত হয়। আমার এলাকার কয়েকজন ছেলের নাম সাদ্দাম। ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের নাম থেকেই এ দেশে সাদ্দাম নামটির ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়েছে।
জানা যায়, জুয়েল হোসেন সাদ্দাম পতিত হাসিনার ভাতিজা শেখ তন্ময়ের হয়ে বাগেরহাটের অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করতো।
১৬ বছর ধরে ছাত্রলীগের জল্লাদ বাহিনী ইউনিভার্সিটিগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সীট বাণিজ্য, ক্যান্টিনে ফ্রি খাওয়া, ছাত্রী ধর্ষণ, টর্চার রুমে ছাত্র নির্যাতন, রাস্তায় ছাত্র পিটানো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু সবধরণের অপকর্ম করেছে। জুলাই বিপ্লবে এরা অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীকে গুলি করে মেরেছে। কয়েকজন ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা এ সাদ্দাম ৫ অগাস্টের পর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের নেতৃত্ব দিতো। সে গোপালগঞ্জ থেকে আটক হয়।
জানা যায়, জুয়েল হোসেন সাদ্দাম পতিত হাসিনার ভাতিজা শেখ তন্ময়ের হয়ে বাগেরহাটের অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করতো। ১৬ বছর ধরে ছাত্রলীগের জল্লাদ বাহিনী ইউনিভার্সিটিগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সীট বাণিজ্য, ক্যান্টিনে ফ্রি খাওয়া, ছাত্রী ধর্ষণ, টর্চার রুমে ছাত্র নির্যাতন, রাস্তায় ছাত্র পিটানো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু সবধরণের অপকর্ম করেছে। জুলাই বিপ্লবে এরা অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীকে গুলি করে মেরেছে। কয়েকজন ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা এ সাদ্দাম ৫ অগাস্টের পর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের নেতৃত্ব দিতো। সে গোপালগঞ্জ থেকে আটক হয়।
সাদ্দাম যে একজন ক্রিমিনাল এতে কোনো সন্দেহ নেই। সে পলাতক অবস্থায় আরো একটি বিয়ে করেছিল বলে জানা যায়। মহিলারা স্বামীর হাজার দোষ-ত্রুটি ও অপরাধ সহ্য করতে পারে। তবে স্বামীর ২য় বিয়ে কিংবা স্বামীর ভাগ অন্য কোনো মহিলাকে দিতে কখনো রাজি হয় না। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বামীর ২য় বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে হতাশায় ভুগবে এটাই স্বাভাবিক।
হতাশা থেকেই শিশু সন্তানকে খুন করে সে নিজে আত্মহত্যা করেছে। এখানে রাষ্ট্র, কোনো দল কিংবা ব্যক্তিকে দায়ী করার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। ভরণ-পোষণের অভাবে এ ঘটনা ঘটেনি। সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। সে জেলা জাতীয় পার্টির নেতা রুহুল আমিন হাওলাদারের মেয়ে। আর্থিক সঙ্কটে এ ঘটনা ঘটেছে তাও ভাবার কোনো কারণ নেই।

সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি নিয়েও মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান অ্যালিমেন্ট মিডিয়াগুলো। পরিবার বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবরে পেরোলে মুক্তির আবেদন করেছিল। অথচ সাদ্দাম ছিল যশোর কারাগারে। যশোর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেয়ার এখতিয়ার যশোর জেলা প্রশাসক কিংবা কারা কর্তৃপক্ষের। বিবিসি’র একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী তার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে না চাইলেও বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো একটি বক্তব্যে এ কথা জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, “স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর কোনো আবেদন করা হয়নি।”

এ বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, “সাদ্দামের পারিবারের মৌখিক অভিপ্রায় অনুযায়ী যশোর জেলগেটে স্ত্রী ও সন্তানের লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়।” মানবিক দিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও তাদের পাঠানো বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ইং।

সে অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্সে করে দুটি লাশ যশোর কারাগার গেইটে নেয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ আটক সাদ্দামকে দেখার সুযোগ দেয়। এখানে মৌলিক অধিকার ও মানবিকতার কোনো ঘাটতি ছিল বলে মনে হয় না।
সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি নিয়েও মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান অ্যালিমেন্ট মিডিয়াগুলো। জানা যায়, সাদ্দামের পরিবার বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিল। সে ছিল যশোর কারাগারে। যশোর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেয়ার এখতিয়ার যশোর জেলা প্রশাসকের। অ্যাম্বুলেন্সে করে দুটি লাশ যশোর কারাগার গেইটে নেয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ আটক সাদ্দামকে দেখার সুযোগ দেয়। এখানে মৌলিক অধিকার ও মানবিকতার কোনো ঘাটতি ছিল বলে মনে হয় না।
হাসিনার আমলে বিনা বিচারে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ তাদের আপনজনকে হারিয়েছেন। তাদের পেরোলে মুক্তি দেয়া হয়নি। ২৫১ পরিবারকে তাদের প্রিয়জনের লাশ ছুঁয়ে দেখার সুযোগ দেয়া হয়নি। ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনায় মানুষরূপী জানোয়ারগুলো উল্লাস করেছে।
আমাদের এলাকার বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরী প্রায় ৯ বছর কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তার দুই সহোদর ভাই প্রবীণ বিএনপি নেতা ইসহাক কাদের চৌধুরী ও মহিন চৌধুরী মারা যায়। অথচ তাকে পেরোলে মুক্তি দেয়া হয়নি।
বিগত ১৬ বছর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার নির্দোষ নেতা-কর্মী, আলেম সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষকসহ বহু মানুষ বিনা অপরাধে-বিনা বিচারে জেল খেটেছে। তখন কি তারা সুখ নিদ্রায় ছিলেন না অন্য গ্রহ ভ্রমণে গিয়েছিলেন?
আমাদের এলাকার বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরী প্রায় ৯ বছর কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তার দুই সহোদর ভাই প্রবীণ বিএনপি নেতা ইসহাক কাদের চৌধুরী ও মহিন চৌধুরী মারা যায়। অথচ তাকে পেরোলে মুক্তি দেয়া হয়নি। বিগত ১৬ বছর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার নির্দোষ নেতা-কর্মী, আলেম সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষকসহ বহু মানুষ বিনা অপরাধে-বিনা বিচারে জেল খেটেছে। তখন কি তারা সুখ নিদ্রায় ছিলেন না অন্য গ্রহ ভ্রমণে গিয়েছিলেন?
একজন চিহ্নিত ক্রিমিনালের স্ত্রী-সন্তানের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে কারা ভাইভ তৈরীর অপচেষ্টা করছে? এদের কি আমরা চিনি না? ইংরেজী দৈনিক ডেইলি অবজার্ভারের প্রতিষ্ঠাতা হামিদুল হক চৌধুরী এসব বুদ্ধিজীবীদের ইন্টালেকচুয়াল প্রস্টিটিউট বলে সম্বোধন করতেন।
হাউকাউ করা মিডিয়া, সুশীল ও ফ্যাসিবাদের দোসরগুলোর উচিত আয়নায় একবার নিজেদের চেহারা দেখা। আমরা চাই না নির্দোষ, নিরপরাধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী বা কোনো নিরপরাধ মানুষ জুলুমের শিকার হোক। আমরা চাই রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হোক।
হাউকাউ করা মিডিয়া, সুশীল ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের উচিত আয়নায় একবার নিজেদের চেহারা দেখা। আমরা চাই না নির্দোষ, নিরপরাধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী বা কোনো নিরপরাধ মানুষ জুলুমের শিকার হোক। আমরা চাই রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হোক।
৫ অগাস্ট পরবর্তী দেশের চেনামুখ সুশীল ও একদেশদর্শী বুদ্ধিজীবীদের মানবতার নাটক আমরা আর দেখতে চাই না।

Some text

ক্যাটাগরি: Uncategorized

Leave a Reply

Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

Voltslot Nederland review: bonussen, betaalmethoden…

Voltslot promo code: stappen en…

Chicken Road – Online Casino…

Online casino’s met licentie in…

1win Online Betting and Casino…

Pin Up Казино – Официальный…

Покердом – Официальный сайт онлайн…