২০২৬ সালের ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ একটি ব্যয়বহুল যুদ্ধ। এটি মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে মারাত্মক অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলেছে। পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ইসরাইলের সামরিক ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১.৪ বিলিয়ন ডলার। আর ইরানের সামরিক ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৪৫ বিলিয়ন ডলার।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র অনুযায়ী, ইরান এখনো তাদের প্রায় ৭০ শতাংশ মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং যুদ্ধপূর্ব ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের ৭০ শতাংশ নিজেদের কাছে রেখেছে। এর মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র-দুই ধরনের অস্ত্রই রয়েছে। এছাড়াও ৯০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র আংশিক বা পুরোপুরি কার্যকর অবস্থায় ফিরেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী যুদ্ধে প্রায় এক হাজার ১০০টি দূরপাল্লার স্টিলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, এক হাজারের বেশি টমাহক ও এক হাজার ৩০০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। বিশ্লেষজ্ঞদের মতে, এসব অস্ত্র পুনরায় মজুত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্ববাজরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান যুদ্ধের ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগারে তেমন অর্থ নেই। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মোট জাতীয় ঋণের পরিমান প্রায় ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার আর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভ রয়েছে মাত্র ৬.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। এমতাবস্থায় চলামন ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পেন্টগন(মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ) যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ চেয়েছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প সেই অনুমোধন এখনো পায়নি। অবাক হওয়ার বিষয় যুদ্ধবাজ মার্কিন মুলুকের জনগণও এই যুদ্ধ চাচ্ছে না। এছাড়া ন্যাটো জোট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকেও চলামান যুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগীতা পাচ্ছে না!!
এমন বস্তবতায় বাধ্যহয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলিত বছরের ২৪ মার্চ চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ বন্ধের জন্য ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের নিকট পাঠায়। প্রস্তাবগুলোন মধ্যে উল্লেখযোগ্য শর্তাবলি হলো-(১) ইরানকে আগামী ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমুদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে এবং ইরানের বর্তমানে থাকা ৬০ শতাংশের বেশি ইউনিয়ামের পুরো মজুত হস্তান্তর করতে হবে। (২) ইরানকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে হবে এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। (৩) কৌশলগত হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। প্রস্তাবে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, এসব প্রস্তাব মানা হলে এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং বিভিন্ন দেশে জমে থাকা ইরানের অবরুদ্ধ করা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে।
তবে এই ১৫ দফার প্রস্তাবটিকে ইরান ‘ সর্বোচ্চবাদী’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে প্রাথমিকভাবে তা প্রত্যাখান করে এবং চলিত বছরের ৭ এপ্রিল পাল্টা ১০ দফা ভিত্তিক নিজস্ব প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকট পেশ করে। ইরানের প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো-(১) যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে ইরান এবং এর মিত্রদের ওপর সকল ধরনের আগ্রাসন ও হামলা স্থায়ীভাবে বন্ধর নিশ্চয়তা দিতে হবে। (২) ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান এবং পরমাণু কর্মসূচির ওপর থেকে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তিসংস্থার সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। (৩) হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্ব অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দিতে হবে। (৪) উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধরত সেনা প্রত্যাহার, ইরানের জব্দ করা বৈদেশিক সম্পদ ও অর্থ ফেরৎ দিতে হবে। (৫) লেবাননসহ সব রনাঙ্গণে সংঘাতের অবসান এবং যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ইরানের এই ১০ দফার প্রস্তাবকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সস্পূর্ণ অগ্রহনযোগ্য ও ভালো নয় বলে নাকচ করে দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কর্তৃক ইরানের প্রস্তাবগুলো নাকচ হওয়ার পরও এসব প্রস্তাব আগামী দিনের শান্তি আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপনকালে চলিত বছরের ১৩ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য তিন দিনের সফরে চীন গমন করেন এবং চীনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিংকের নিকট ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতির আলোচনার অচলাবস্থা কাটাতে সার্বিক সহায়তা কামনা করেন। এতেই বুঝা যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম যুদ্ধটির ইতি টানতে চাচ্ছেন।
বস্তুত, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও, তা অর্থনৈতিক, সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে হবে অত্যন্ত বিপর্যয়কর। বিশ্লেষকদের মতে, এধরনের সংঘাত অব্যাহত রাখা আমেরিকার জন্য টেকসই নয় এবং এর ফলে বিশ্বব্যাপী ওয়াশিংটনের অবস্থা দুর্বল হয়ে পরবে।
বলাবাহুল্য, ইরান কখনোই আমেরিকার টিকে থাকার জন্য অস্তিত্ববাদী হুমকি ছিল না। শুধু ইসরায়েলের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই চলমান ব্যয়বহুল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বিশ্বকে এক মহামন্দার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এখন আমেরিকা বুঝতে পারছে ইরান আক্রম তার জন্য মারাত্মক ভুল ছিল। তাই এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার উপায় খোঁজছে।
মূলত ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন বহুমুখী চাপের মুখের রয়েছেন। যুদ্ধটি একদিকে তার জন্য রাজনৈতিকভাবে বোঝা হয়ে উঠেছে এবং তিনি নিজেও বিষয়টি থেকে সরে আসতে আগ্রহী। কিন্তু ট্রাম্প এখনো চলমান যুদ্ধে তার ঘোষিত মূল লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি। যুদ্ধের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেবেছিলো, যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের শাসনকাঠামো, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নেতৃত্ব ভেঙ্গে ফেলা যাবে। তারপর সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি সরকার বসানো সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তবে ইরানের সরকার ভেঙ্গে পড়েনি ; বরং বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থায় তাদের ভূমিকাও বেড়েছে। সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর অটুট থেকেছে, ধর্মীয় নেতৃত্ব একজোট হয়েছে এবং সাধারণ মানুষও বাইরের আক্রমণের বিরুদ্ধে একত্র হয়েছে।
এমতাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র এমন এক বাস্তব সীমাবদ্ধাতার সম্মুখীন হয়েছে, যেখানে তারা ইরানের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা অর্জন করতে পুরোপুরি ব্যর্থ। ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা, তার অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা এবং ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক প্রতিরোধ অক্ষের মধ্যে সমন্বয় করাসহ সবকিছু মিলেই ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয়কে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
এখন দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর হাতে কোনো বিকল্প সরকার নেই। ইরানের আত্মসমর্পণ করার কোনো লক্ষণ নেই, এমনকি জয়ের জন্য কোনো সামরিক পথও নেই। ফলে একমাত্র সম্ভাব্য পথ হলো পিছু হটা। তবে এমন পরিস্থিতির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত ও চিন্তাভাবনা অনেকাংশে দায়ি।
প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ভুলভাবে বিচার করেছে। ইরান একটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ, যার ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছরের। দ্বিতীয়ত, ইরানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। ইরানে উচ্চমানের পদার্থ বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও গণিতবিদ রয়েছে। তারা নিজেদের দক্ষতায় ইরানে নিজস্ব প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তুলেছে, যা গুণগতদিক দিয়ে পশ্চিমাদেশের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। তৃতীয়ত, যুদ্ধের প্রযুক্তিগত দিক এখন ইরানের পক্ষে গেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষব্যবস্থার তুলনায় অনেক কম। চতুর্থত, যুদ্ধ মোকাবিলার জন্য বর্তমানে ইরানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংষ মানুষ স্বেচ্ছায় সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন বা এর জন্য নিবন্ধন করাচ্ছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ সরাসরি এমন কোনো সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না। এর কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই লড়াই স্রেফ শখের, কিন্তু ইরানের জন্য এই লড়াই অস্তিত্বের লড়াই, বিশ্বেরবুকে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার লড়াই। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জনগণের মধ্যে কৌশলগত দিক নিয়ে বড় ধরনের মতভেদ আছে, কিন্তু ইরানের জনগণের মধ্যে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধ নিয়ে লৌহকঠিন এক ঐকমত্য সৃষ্টি হয়েছে। এসব কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল জোট কাংঙ্ক্ষিত ফলাফল পাচ্ছে না। এখানে মার্কিন-ইসরাইল সামরিক জোট সামরিক সাফল্যের চেয়ে কৌশলগতভাবে লজ্জাকর পরজায় বরণ করেছে।
বস্তুত, এই যুদ্ধ দেখিয়েছে–ইরানকে যতটা সহজ মনে করা হয়েছিল, তারা তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এই যুদ্ধ দেখিয়েছে–ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ইরান আক্রমন কৌশলগতভাবে ভুল ছিল। এই যুদ্ধ দেখিয়েছে–আধুনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আগের মতো আর সুবিধাজনক নেই। এই যুদ্ধ আরো দেখিয়েছে–প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব থাকলেও একটি সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রকে কবজা করা অজেয় আমেরিকার জন্য আর সহজ কাজ নয়।
এমন ত্রিশঙ্কুল অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম চীন সফর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেই চলিত বছরের ১৫ মে ইরানকে নতুন করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরান দ্রুত পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে ইরানের জন্য খুব খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। কিন্তু ট্রাম্পের এসব হুমকিকে তেহরান ‘হাস্যকর’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে আখ্যায়িত করেছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তার জন্য ইরানও প্রস্তুত রেয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরস্পরের প্রতি হুমকি ও পাল্টা হুমকির প্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে, ইরান-ইসরাইল ও এর মিত্রদের মধ্যে চলমান সংঘাত সহসাই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবে মানবতার স্বার্থে চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ ও উত্তেজনা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই সংঘাত কেবল দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি বৈশ্বিক মানবিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য এক মারাত্মক হুমকি। (সমাপ্ত)।
খায়রুল আকরাম খান
ব্যুরো চীফ : deshdorshon.com
Some text
ক্যাটাগরি: Uncategorized
