, .
সর্বশেষ খবর:
দিল্লিতে উপদেষ্টা হয়রানী: কিছু জরুরি বিষয় চট্টগ্রামে ভাঙ্গারী দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ১ শিশুদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর দলদাসত্বমূলক বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সাথে সাক্ষাতে ইন্টারকম সুবিধা চট্টগ্রামে বিএনপি’র সাফল্য চট্টগ্রামে একই গ্রাম থেকে ৩ জন এমপি! চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট: ১০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য থমকে গেছে! চট্টগ্রামে কারখানায় বিস্ফোরণ: ৩ শ্রমিক আহত সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ‘গণজোটের’ বিবৃতি হাফেজ আবুল হাসান কুমিল্লার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল ‘আমার স্ত্রী মাকসুদাকে মেরে ফেলেছি, আমাকে থানায় নিয়ে যান’

মুভি “বনলতা এক্সপ্রেস” ও কালচারাল ফ্যাসিস্টদের আস্ফালন!

সাইয়েদ ইকরাম শাফী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বনলতা এক্সপ্রেস মুভি প্রদর্শনীর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে আবারো সরব হয়েছে অভিনেতা বেশধারী আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী। নিউজ লিঙ্ক দিলাম। পুরো বিবরণ পড়তে পারেন। https://shorturl.at/c8oD4

মুভি মেকারদের মুভি নির্মাণ করার অধিকার আছে। একই ভাবে কোনো মুভি বিতর্কিত হলে সেটা না দেখা কিংবা প্রদর্শনীর প্রতিবাদ করাও মানুষের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে সাম্প্রদায়িক, রাজাকার, মৌলবাদী, স্বাধীনতা বিরোধী ট্যাগ দিয়ে মুভি, ড্রামা ও অপেরা তৈরী করবেন। মানুষ প্রতিবাদ করবে না?

মুভি মেকারদের মুভি নির্মাণ করার অধিকার আছে। একই ভাবে কোনো মুভি বিতর্কিত হলে সেটা না দেখা কিংবা প্রদর্শনীর প্রতিবাদ করাও মানুষের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে সাম্প্রদায়িক, রাজাকার, মৌলবাদী, স্বাধীনতা বিরোধী ট্যাগ দিয়ে মুভি, ড্রামা ও অপেরা তৈরী করবেন। মানুষ প্রতিবাদ করবে না?

মুভি ও ড্রামায় দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে ভিলেন বানিয়ে উপস্থাপনের ইতিহাস খুব বেশি নেই। তবে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে, বিশেষ করে আমেরিকা Hollywood এবং ইন্ডিয়া’র Bollywood এর মতো বড় মুভি ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে নিজস্ব দেশের ভেতরের সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, জাতি বা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক ও নেতিবাচক চিত্রায়নের অভিযোগ রয়েছে।

হলিউড (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র): অতীতে অনেক মুভিতে মুসলিম, কৃষ্ণাঙ্গ, এবং মধ্যপ্রাচ্যের মানুষদের নেতিবাচক ও সন্ত্রাসী হিসেবে উপস্থাপন করার অভিযোগ রয়েছে।

বলিউড (ইন্ডিয়া): ইন্ডিয়ায় অনেক সময় ধর্মীয় সংখ্যালঘু বা অন্য রাজ্যের জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের খলনায়ক বা মূল সংস্কৃতির বাইরের মানুষ হিসেবে দেখানোর মতো বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

অন্যান্য দেশ: ইউরোপসহ অনেক দেশেই অভিবাসী বা নির্দিষ্ট আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বর্ণবাদী বা বিদ্বেষমূলক কনটেন্ট তৈরির ঘটনা ঘটে।

মুভি ও ড্রামায় এ ধরণের বিদ্বেষ ছড়ানোর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করে সে শিল্পের ভেতরের কিছু নির্মাতা, প্রযোজক বা চিত্র নাট্যকারের ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য।

কোনো দেশই সামগ্রিকভাবে তাদের মুভির মাধ্যমে নিজ দেশের মূল জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ায় না। বরং সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন দ্বন্দ্ব ও রাজনীতির অসঙ্গতি সিনেমা বা মুভির পর্দায় বাস্তবে প্রতিফলন বা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়।

অথচ এ দেশের হাল অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরিত। মূলত ৭১ এর পর থেকে একশ্রেণির শিল্পী, সাহিত্যিকদের মধ্যে মৌলবাদ হঠানোর নামে ইসলাম বিদ্বেষ বিষাক্ত ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এদের মূলগোড়া আবার ইন্ডিয়ার কলকাতায়। এরা কারণে-অকারণে এবং নানা ছলছুতোয় দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী হিসেবে চিহ্নিত করে মুভি ও ড্রামা বানায়। দাড়ি ও টুপিকে হেয় করে। কেউ এসব মুভি ও ড্রামার বিরুদ্ধে সরব হলেই এরা ৭১ কে সামনে নিয়ে আসে। রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে তকমা লাগায়।

অথচ এ দেশের হাল অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরিত। মূলত ৭১ এর পর থেকে একশ্রেণির শিল্পী, সাহিত্যিকদের মধ্যে মৌলবাদ হঠানোর নামে ইসলাম বিদ্বেষ বিষাক্ত ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এদের মূলগোড়া আবার ইন্ডিয়ার কলকাতায়। এরা কারণে-অকারণে এবং নানা ছলছুতোয় দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী হিসেবে চিহ্নিত করে মুভি ও ড্রামা বানায়। দাড়ি ও টুপিকে হেয় করে। কেউ এসব মুভি ও ড্রামার বিরুদ্ধে সরব হলেই এরা ৭১ কে সামনে নিয়ে আসে। রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে তকমা লাগায়।

ফ্যাসিস্ট রেজিমে এদের আস্ফালন সকল সীমা-পরিসীমা অতিক্রম করেছিল। ফ্যাসিস্ট রেজিমের পতনের পর এরা নতুন এজেন্ডা নিয়ে মাঠ গরমের অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। এসব কালচারাল পান্ডা ও শাহবাগী উইং নতুন অ্যাসাইনমেন্ট বনলতা এক্সপ্রেস নামের মুভির প্রচারণা।

কালচারাল পান্ডা চঞ্চল চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ানপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সীমাহীন মানসিক টর্চার করেছিল। ২০১৩ সালে অবরুদ্ধ থাকার সময় বেগম খালেদা জিয়ার বাসায় ঢিল ছুঁড়েছিল এ কালচারাল পান্ডা।

২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কত লাশ চান আপনি বেগম খালেদা জিয়া? শিরোনামে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে কথিত মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী-সহ আরো অনেকে একটা প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছিল। তারা শান্তির বার্তা হিসেবে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে গোলাপ ফুল রেখে এসেছিল।

২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কত লাশ চান আপনি বেগম খালেদা জিয়া? শিরোনামে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে কথিত মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী-সহ আরো অনেকে একটা প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছিল। তারা শান্তির বার্তা হিসেবে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে গোলাপ ফুল রেখে এসেছিল।

সাথে ছিল খালেদা জিয়ার কথিত সন্ত্রাসের শিকার হয়ে জীবন্ত আগুনে পুড়ে দগ্ধ হওয়া ৫৪ জনের নামের একটা তালিকা। সে তালিকা তারা বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে টানিয়ে দিয়ে এসেছিল। এরপর মানববন্ধন করেছিল। মানববন্ধন শেষে বার্ণ ইউনিট আর আগুনের জবানবন্দি নামে তারা দুটো পথনাটক করেছিল।

এসব অপতৎপরতার পর তারা সংবাদপত্রে বক্তব্য দিয়ে বলেছিল যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত সচেতন। না হয় খালেদা জিয়ার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আরো বহুমানুষ মারা যেত!

কেউ নিশ্চয় বিস্মৃত হননি যে, পিলখানা হত্যাকান্ড, শাপলা চত্বরের গণহত্যা, ২০১৪ সালের লুটতরাজের নির্বাচন, র‌্যাবের খুন-গুম ও ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যার বিষয়ে এরা গরু-ছাগলের মতো মুখে লাগাম দিয়ে রেখেছিল। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পঙ্কজ দেবনাথের মালিকানাধীন বিহঙ্গ পরিবহনে সবচেয়ে বেশি আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। এসব আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটার সাথে সাথে সময় টিভি লাইভ টেলিকাস্ট করতো। কারা আগুন সন্ত্রাস করেছিল সেটা স্বয়ং ২০১৮ সালের নিশিভোটের নমিনেশন বঞ্চিত আওয়ামী নেতারাই ফাঁস করে দিয়েছিল।

কেউ নিশ্চয় বিস্মৃত হননি যে, পিলখানা হত্যাকান্ড, শাপলা চত্বরের গণহত্যা, ২০১৪ সালের লুটতরাজের নির্বাচন, র‌্যাবের খুন-গুম ও ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যার বিষয়ে এরা গরু-ছাগলের মতো মুখে লাগাম দিয়ে রেখেছিল। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পঙ্কজ দেবনাথের মালিকানাধীন বিহঙ্গ পরিবহনে সবচেয়ে বেশি আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। এসব আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটার সাথে সাথে সময় টিভি লাইভ টেলিকাস্ট করতো। কারা আগুন সন্ত্রাস করেছিল সেটা স্বয়ং ২০১৮ সালের নিশিভোটের নমিনেশন বঞ্চিত আওয়ামী নেতারাই ফাঁস করে দিয়েছিল।

অভিনেতা বেশধারী চঞ্চল চৌধুরীর পুরো নাম সুচরিত চৌধুরী চঞ্চল। চঞ্চল চৌধুরী নামেই মিডিয়া জগতে পরিচিত। আওয়ামী রেজিমে তার পান্ডামীর কোনো বিচার হয়েছে? যদি তার অপকর্মের বিচার হতো তাকে হয় পালিয়ে থাকতে হতো। নয়তো এতোদিনে কারাগারে থাকতে হতো। হাসিনার ইন্ধনে এ আওয়ামী পান্ডা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শুধু অপপ্রচার ও বিদ্বেষ ছড়ায়নি-তাকে চরমভাবে মানসিক টর্চার করেছে।

চঞ্চল চৌধুরী হাসিনাকে খুব ভালো সার্ভিস দিয়েছিল। এর তোফা স্বরূপ চঞ্চল চৌধুরীকে এবিপি আনন্দ কর্তৃক আয়োজিত ‘সেরা বাঙালি’ সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত ভূষিত করা হয়। ২০২৫ সালে অভিনয় শিল্পে অবদানের জন্য কলকাতার ‘পঞ্চম বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ (Bengal International Excellence Award) পুরস্কার দেয়া হয়।

চঞ্চল চৌধুরী হাসিনাকে খুব ভালো সার্ভিস দিয়েছিল। এর তোফা স্বরূপ চঞ্চল চৌধুরীকে এবিপি আনন্দ কর্তৃক আয়োজিত ‘সেরা বাঙালি’ সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত ভূষিত করা হয়। ২০২৫ সালে অভিনয় শিল্পে অবদানের জন্য কলকাতার ‘পঞ্চম বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ (Bengal International Excellence Award) পুরস্কার দেয়া হয়।

গত ৩১ মে রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় ছোটপর্দার অভিনয় শিল্পীদের সংগঠন অভিনয় শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের ‘অ্যাক্টর’স ফ্যামিলি ডে ও অভিষেক-২০২৫ অনুষ্ঠানে অভিনেতা আবুল হায়াত বলেছেন, কথা নেই বার্তা নেই, শিল্পীদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায়। এক হাজার জনের মধ্যে সে নাকি আসামি, মানুষ খুন করেছে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে জেলখানায় ধরে রিমান্ডে দিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিস্তারিত নিউজটি পড়ে দেখতে পারেন। https://shorturl.at/57iIa

কতিপয় লোকের ভাষায় অভিনেতা বা শিল্পী তকমা থাকলেই তার জন্য সাত খুন মাফ! এরা একটি দলের পক্ষ নিয়ে আরেকটি দলের বিরুদ্ধে অবিরত বিদ্বেষ ছড়াবে। নিজেদের দলের হাজার অপকর্ম করলেও মুখ খুলবে না। শিল্পীর তকমা লাগিয়ে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করবে। তাদের কোনো বিচার করা যাবে না!

কতিপয় লোকের ভাষায় অভিনেতা বা শিল্পী তকমা থাকলেই তার জন্য সাত খুন মাফ! এরা একটি দলের পক্ষ নিয়ে আরেকটি দলের বিরুদ্ধে অবিরত বিদ্বেষ ছড়াবে। নিজেদের দলের হাজার অপকর্ম করলেও মুখ খুলবে না। শিল্পীর তকমা লাগিয়ে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করবে। তাদের কোনো বিচার করা যাবে না!

আইনের ভাষায় অপরাধ কি? অপরাধ হলো এমন একটি বেআইনি বা সমাজ বিরোধী কাজ। যা রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত আইনের পরিপন্থী এবং যার জন্য উপযুক্ত শাস্তির বিধান রয়েছে।

অপরদিকে অপরাধী হলেন সে ব্যক্তি। যিনি স্বেচ্ছায় কোনো অপরাধমূলক কাজ করেন বা অপরাধ সংঘটনের দায়ে আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হন। আইন, সমাজ ও দর্শনের দৃষ্টিতে অপরাধ ও অপরাধীর গভীরতর ব্যাখ্যা নিচে দেয়া হলো:

অপরাধ (Crime)
সাধারণত দুইভাবে অপরাধের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা যায়:
  • আইনগত সংজ্ঞা: ফৌজদারি আইন বা দণ্ডবিধি অনুযায়ী রাষ্ট্র কর্তৃক নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা অথবা আইন দ্বারা বাধ্যতামূলক কোনো কাজ করতে ব্যর্থ হওয়া অপরাধ। এর মূল ভিত্তি হলো: কাজটির পেছনে অপরাধী মন (Mens Rea) এবং অপরাধমূলক কাজ (Actus Reus) বিদ্যমান থাকে।
  • সামাজিক সংজ্ঞা: মানুষের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সমাজের প্রচলিত রীতিনীতির পরিপন্থী আচরণ যা সামাজিক ভাবে ক্ষতিকারক ও নিন্দনীয়, তা-ই অপরাধ।

অপরাধী (Criminal)
আইনের ভাষায় অপরাধী বলতে সে ব্যক্তিকে বোঝায়:
  • যিনি কোনো অপরাধমূলক কাজে সরাসরি লিপ্ত থাকেন।
  • যিনি আইন ভঙ্গ করার কারণে আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হয়েছেন।
  • কোনো অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছেন বা প্ররোচনা দিয়েছেন।

এসব কালচারাল ফ্যাসিস্টদের পক্ষে ওকালতি করে অনেকে বলছেন, অভিনেতাদের হাতকড়া পরানো নাকি অশোভনীয়! তাহলে কার হাতে হাতকড়া শোভনীয়? শিল্পী ও অভিনেতারা ফৌজদারী অপরাধ করলে বিচার করা যাবে না? তাহলে কার বিচার করা যাবে?

এসব কালচারাল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর জন্য কতিপয় বিএনপি নেতার দরদ ওতলে ওঠেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া- (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনের এমপি রুমিন ফারহানাও এদের পক্ষে ওকালতি করছে।

হাসিনা রেজিমে দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার ওপর ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকা নৃংশতার বিরুদ্ধে কি করতে পেরেছে বিএনপি নেতারা? কিছুই করতে পারেনি। একটি বড় মিছিল কিংবা শো-ডাউন করতে পারেনি। কাপুরুষের মতো বসে বসে তামাশা দেখেছে। অতীতের এসব তিক্ত ইতিহাস নিশ্চয় এখন অনেকের ভালো লাগবে না। ভুলে যাবেন না, বহু নিরীহ সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে হাসিনার ফ্যাসিস্ট রেজিম উৎখাত হয়েছে। এমনি এমনিতেই বিএনপি ক্ষমতায় আসেনি।

হাসিনা রেজিমে দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার ওপর ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকা নৃংশতার বিরুদ্ধে কি করতে পেরেছে বিএনপি নেতারা? কিছুই করতে পারেনি। একটি বড় মিছিল কিংবা শো-ডাউন করতে পারেনি। কাপুরুষের মতো বসে বসে তামাশা দেখেছে। অতীতের এসব তিক্ত ইতিহাস নিশ্চয় এখন অনেকের ভালো লাগবে না। ভুলে যাবেন না, বহু নিরীহ সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে হাসিনার ফ্যাসিস্ট রেজিম উৎখাত হয়েছে। এমনি এমনিতেই বিএনপি ক্ষমতায় আসেনি।

অতীতের এসব নৃশংসতার ইতিহাস বিএনপি নেতারা এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে চলবে? যেসব বিএনপি নেতা কালচারাল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে অতি আধুনিক হতে চান তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনারা কখনো জিয়াউর রহমানের চেয়ে বেশি উদার ও আধুনিক হতে পারবেন না।

সুতরাং: অভিনেতা বেশধারী কালচারাল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী ও পান্ডাদের প্রশ্রয় দেবেন না। দুধ কলা খাইয়ে ঘোখড়া সাপকে লালন-পালন করবেন? শেষে ঘোখড়ার ছোবলে আপনাদের প্রাণ সংহার হবে।

ক্যাটাগরি: উপসম্পাদকীয়,  প্রধান কলাম,  বিশেষ প্রতিবেদন,  মন্তব্য প্রতিবেদন,  শীর্ষ তিন

ট্যাগ: এই পোস্টের জন্য কোনো ট্যাগ নির্ধারিত হয়নি।

Leave a Reply