রবিবার দুপুর ২:০৪, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ ইং

বিদায়লগ্নে প্রশংসায় ভাসছেন সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন

সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন রিতা। জেলা প্রশাসক ও জেলা মেজিস্ট্রেট, নরসিংদী। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে উপ-সচিব পদে পদায়ন পেয়েছেন মাঠ প্রশাসনের জনবান্ধব এই কর্মকর্তা। বিদায়লগ্নে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। নরসিংদীর প্রথম নারী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। ১৭তম জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ৩ বছর ৩ মাসের কর্মকালে নানাক্ষেত্রে অর্জন করেন শ্রেষ্ঠত্ব।

নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আলী বলেন, সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন একজন আমলাবিভাগীয় কর্মকর্তা হলেও তার মধ্যে নেই কোন অহংবোধ। তিনি তার প্রিয় সহকর্মী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন জনবান্ধব প্রশাসন। সর্বস্তরের জনগণের সাথে গড়ে তুলেছেন সহমর্মিতা। প্রমাণ করেছেন তিনি প্রভু নন বরং জনগণের সেবক। তিনি একজন সৃজনশীল-সৃষ্টিশীল মানুষ। দেশের মাটি ও মানুষকে আপন ভেবেই তিনি এখানে কাজ করেছেন ৩ বছর। বিগত মহান বিজয় দিবস, স্বাধীনতা বিবস, জাতীয় শিশু দিবস, বাংলা নববর্ষ, একুশে বই মেলা ও এসএমই পণ্য মেলা ভিন্ন আঙ্গিকে উদযাপনের যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন সেই রূপকার সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে নরসিংদীবাসীর দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছেন। শুধু তাই নয় সাহিত্য সংস্কৃতি, শিক্ষা ও খেলাধুলায় তার অবদান অপরিসীম। গত একুশে বই মেলায় জেলার ভাষা সৈনিক, কবি সাহিত্যিকদের সম্মাননা প্রদান করেন এবং ২০২০ সালে ৮ দিনব্যাপী একুশে বই মেলায় বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী নরসিংদীর কৃতি পুরুষ শাহাবুদ্দিন আহমেদ এর মাধ্যমে আলোকচিত্র শিল্পী সুবিমল দাসের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে যে ইতিহাস রচনা করেছেন তা নরসিংদী জেলার ইতিহাসে এক মাইলফলক।

সততা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও আন্তরিকতা থাকলে যে কোন কাজ সহজেই করা যায়, তা বাস্তবে প্রমাণ করেছেন ‘সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। তার উল্লেখযোগ্য কৃতকর্মের জন্য তিনি প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক পদক-২০১৮, জনপ্রশাসন পদক-২০১৯, ডিজিটাল বাংলাদেশ পদক-২০২০, প্রাপ্তিতে এবং শুদ্ধাচারের জন্য সম্মান পাওয়ায় জেলাবাসী গর্বিত ও আনন্দিত।
মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে মহৎ ও শ্রেষ্ঠ হয়ে উঠে। তার জীবনকে পৌঁছে দেয় সাফল্যের স্বর্গদুয়ারে। এ সাফল্য অর্জনের পেছনে যে সব গুণ অপরিহার্য তা হলো শিক্ষা, সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ, একাগ্রতা ও আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি দেশপ্রীতি ও সজীব মানসিকতা। নরসিংদী জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও জেলা মেজিষ্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন শত গুণে গুণান্বিত একজন দক্ষ আমলাবিভাগীয় কর্মকর্তা।

প্রকৃতপক্ষে একজন নিষ্ঠাবান, সৃজনশীল, ও সফল মানুষ হচ্ছেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। যিনি ফুল ও শিশুকে ভালবাসেন তিনি কখনো অন্যায় করতে পারেন না। নরসিংদী জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা মেজিষ্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর জ্বলন্ত ও প্রকৃত উদাহরণ।

নরসিংদী জেলা প্রশাসক কার্যালয়, সার্কিট হাউজকে সুসজ্জিত করেছেন। জবস কর্ণার স্থাপন করে সাড়ে ৫০০ লোককে বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া স্কুল-কলেজগুলো সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার স্থাপনের পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাসগুলো যাতে হয় সেই চেষ্টা করেছেন।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় তিনি ও তার প্রশাসন বিরাট ভূমিকা পালন করেন। কুইক সার্ভিস টিম গঠন করেন। পথশিশু থেকে শুরু করে ওপর লেভেলের সবার সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন। কথাবার্তা শুনেছেন। চেষ্টা করেছেন সাধ্য অনুযায়ী কাজ করে দেয়ার। নরসিংদীর প্রবীণ সাংবাদিক, প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক নিবারণ রায় বলেন, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষাসহ সব সেক্টরের জন্যই কাজ করেছেন তিনি।


নরসিংদী শিল্প ও বণিক সমিতির প্রেসিডেন্ট, এফবিসিসিআই’র পরিচালক মো. আলী হোসেন শিশির বলেন, করোনা কালিন লকডাউনের সময়ে জীবন জীবিকার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইন প্লাটফর্মে মাধবদী শেখেরচর বাজার খুলে দিয়ে ব্যবসাবান্ধব জেলা প্রশাসক হিসেবে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বাতিঘর যেমন আলো ছড়ায় তেমনি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন তার বহুমাত্রিক সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নরসিংদী জেলাকে আলোকিত করেছিলেন। ‘কর্মসংস্থান নরসিংদী’ নামে তিনি নতুন থিম দাঁড় করিয়েছেন। যার মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি  হয়েছে।

নরসিংদী ইন্ডিপেনডেন্ট কলেজ এর অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা বলেন, সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন একটি বিশ্বাসের নাম, অশেষ স্বপ্নের নাম, অফুরন্ত স্নেহ-মমতা, শ্রদ্ধা-ভক্তি ও সৃজনশীলতার নাম। তিনি ছিলেন নরসিংদী জেলার উন্নয়নের অগ্রভাগে, সকল কাজের উদ্যোক্তা এবং ব্যক্তির উর্ধে একটি প্রতিষ্ঠান। আমরা নরসিংদীর নাগরিক হিসেবে অবলীলায় স্বীকার করতে বদ্ধপরিকর যে, তিনি নরসিংদীর সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের মডেল।

আজকের খোঁজখবর পত্রিকার সম্পাদক, মনজিল এ মিল্লাত বলেন, সারা বিশ্ব যখন করোনা কম্পমান দেশ যখন লকডাউনে ছিলো তখন প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা মেজিষ্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন নরসিংদীবাসীর উদ্যেশ্যে বলেছিলেন, আমি বাইরে আছি আপনারা ঘরে থাকুন। আপনাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দিব। এবং করেছিলেনও তাই। তার দূরদর্শী বিচক্ষণতায় জেলা করোনা সেল গঠন, কুইক রেসপন্স টিম, নৌ’সহ ১১ টি এ্যাম্বুলেন্স ক্রয়, করোনার প্রাদুর্ভাব অনুসারে জোন ভিত্তিক এলাকা নির্ধারণ করে প্রাচ্যের মানচেষ্টার খ্যাত বাবুর হাট বাজারে অনলাইনে বেচাকেনা, অনলাইনে সরকারি সাহায্যের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বেসরকারি খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি সেক্টরে বিতরণ, জেলার সামাজিক সংগঠনগুলোকে কাজে লাগানো, সরেজমিনে করোনাকালীন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে অত্যন্ত সফলভাবে করোনার প্রথম ধাপ মোকাবেলা করে দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছেন। বিশেষ করে ২০২০ সালের সেরা আলোচিত ব্যক্তি ‘সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন।

জাতীয় মহিলা সংস্থা নরসিংদী জেলা শাখার চেয়ারম্যান ‘তাহমিনা আক্তার লাইলী’ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত পড়িবারে বেড়ে উঠা নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা মেজিষ্ট্রেট ‘সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন একজন সফল নারী। তিনি নরসিংদীর নারী সমাজকে আশার আলো দেখিয়েছেন। নারী নির্যাতন বন্ধ, বাল্য বিবাহ রোধ করা’সহ নারীদেরকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উল্যেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন সফলভাবে।

নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শাহীনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বহুমাত্রিক মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন একজন ক্রীড়াবান্ধব জেলা প্রশাসক। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। এবং খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক ব্যাধি মাদক ও ইভটিজিং বাল্যবিবাহ দূর করা সম্ভব।  তাই তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি হিসেবে নরসিংদী মুসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়াম’সহ খেলার মাঠগুলিতে সারাবছর জুড়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা খেলার কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রদান করে জেলা ক্রিড়া সংস্থা ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদককে।

জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভিন্নধর্মী কাজের জন্য সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। নরসিংদীতে কাজের জন্য সেরা জেলা প্রশাসকের পুরস্কার পান। ‘কর্মসংস্থান নরসিংদী’ নামক বিশেষ উদ্যোগের জন্য ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে ২০১৯ সালে ‘জনপ্রশাসন পদক’ দেয়া হয় তাকে। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের কাছ থেকে এই পদক গ্রহণ করেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৮’ গ্রহণ করেন। শুদ্ধাচার চর্চায় অবদানের জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২০ এবং ২০১৯ সালে ‘নরসিংদী জেলার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় নরসিংদী’ নামক সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে ইনোভেশন শোকেসিং ২০১৯-এ প্রথম স্থান অর্জন করেন। সর্বশেষ  পেয়েছেন ‘জাতীয় ডিজিটাল পুরস্কার ২০২০’। ২০১৮ সালে তথ্য অধিকার চর্চার বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক অবদানের জন্য সারা দেশে ২য় হয় নরসিংদী জেলা। এর আগে ২০১৩ সালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগের অন্যতম একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্পে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’ নির্বাচিত হন সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কন্যা সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে ২০০১ সালের ২৮শে মে সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তার পিতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র আইনজীবী প্রয়াত সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং গণপরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি ছিলেন। তার স্বামী মো. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি। চাকরি সূত্রে ফেলোশিপসহ বিভিন্ন উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারত সফর করেন। ২০১৮ সালে নরসিংদীর জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের আগে তিনি ঢাকা কালেক্টরেটে এডিসি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

নরসিংদীতে যোগদানের পর প্রশাসকের নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভিন্নমাত্রার কাজের জন্য প্রশংসিত হয়ে ওঠেন তিনি। জেলার বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানে তার গৃহীত উদ্যোগে এখন পর্যন্ত ৫০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই উদ্যোগকে টেকসই করতে কর্মসংস্থান নরসিংদী নামে ওয়েবসাইট, অ্যাপস ও ডাটাবেজ চালু প্রক্রিয়াধীন। ২০১৯ সালে মহান বিজয় দিবসে ‘মমতার পরশ’ নামে ৯৯ জন বীরগর্ভা মাকে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করেন জেলা প্রশাসক ফারহানা। সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক সংগঠন বাঁধনহারা থিয়েটার স্কুলের অত্যাধুনিক স্টুডিও থিয়েটার, হজরত কাবুল শাহ নরসিংদী কালেক্টরেট পাবলিক স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য নির্মিত হয়েছে মিনি পার্ক। মেধাবী দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে ২০১৮ সালে জেলা প্রশাসক শিক্ষাবৃত্তি চালু করা হয়। এলজিএসপি প্রকল্পের অধীনে ৭৭টি স্কুলের সামনে অভিভাবক ছাউনি ‘ছায়া পরশ’ নির্মাণ করা হয়েছে। নরসিংদীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্মিত হয়েছে অবসর ভবন। নরসিংদী ডায়াবেটিক সমিতি পরিচালিত নরসিংদী ডায়াবেটিক হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তিন তলাবিশিষ্ট বর্ধিত ভবন করা হয়। সেখানে স্থাপিত হয়েছে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার, যেখানে চিকিৎসায় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা হয়। এমন আরও অনেক ভালো কাজের জন্যই প্রথম নারী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন নরসিংদীর মানুষের কাছে।

সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে উপ-সচিব এ পদায়ন হয়েছেন মাঠ প্রশাসনের জনবান্ধব এই কর্মকর্তা। তার’ই মুন্সিয়ানা কাজের বদলে বদলে যাওয়া শিল্পনগরী নরসিংদীর বিদায়লগ্নে প্রশংসায় ভাসছেন এই তিতাস কন্যা।

আদিত্ব্য কামাল: নরসিংদী থেকে ফিরে

ক্যাটাগরি: নারী,  বিশেষ প্রতিবেদন,  শীর্ষ তিন,  সারাদেশ

ট্যাগ:

Leave a Reply