প্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে দিন শুরু হয় রাত ১২ টার পর। হিজরী ক্যালেন্ডারে দিন শুরু হয় সন্ধ্যার পর। এসব কারণে মোঘল আমলে প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধান করতে সম্রাট জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর একটি নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার চালুর উদ্যোগ নেন। তার দরবারের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও পন্ডিত আমির ফাতেহ উল্লাহ শিরাজীকে নতুন বাংলা ক্যালেন্ডার তৈরীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ফাতেহ উল্লাহ শিরাজী সুন্দর একটি বাংলা ক্যালেন্ডার তৈরী করেন। ইতিহাস থেকে জানা যায় এটা মূলত হিজরী সন ও প্রাচীন সৌর গণনার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এ নতুন ক্যালেন্ডারের নামকরণ হয় তারিখ-ই ইলাহি। এটা ফসলী সন হিসেবে পরিচিতি পায়।
১৫৮৪ সাল থেকে তারিখ-ই ইলাহি প্রবর্তন করা হয়। তবে এর গণনা শুরু হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর থেকে। অর্থাৎ ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এ হলো বাংলা ক্যালেন্ডার প্রবর্তনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
১৯৮৫ সালের ১৪ এপ্রিল মোতাবেক বাংলা ১৩৯২ সনের পয়লা বৈশাখের ভোরে যশোর জেলা শহর থেকে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করা হয়েছিল। এ শোভাযাত্রার শ’চারেক লোক অংশগ্রহণ করে। সে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী বাঘ, দৈত্য, ভূতের মুখোশ পরে যশোরের চারুপীঠ চত্বর থেকে বের হয়। সে শোভাযাত্রা ছিল ছোট পরিসরের। ওই শোভাযাত্রার উদ্যোক্তা চারুপীঠ আর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব জামিল শামীম। পরের বছর যশোরের বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে এটি আরো জমকালো আকার নেয়।

১৯৮৫ সালের ১৪ এপ্রিল মোতাবেক বাংলা ১৩৯২ সনের পয়লা বৈশাখের ভোরে যশোরে জেলা শহর থেকে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করা হয়েছিল। এ শোভাযাত্রার শ’চারেক লোক অংশগ্রহণ করে। সে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী বাঘ, দৈত্য, ভূতের মুখোশ পরে যশোরের চারুপীঠ চত্বর থেকে বের হয়। সে শোভাযাত্রা ছিল ছোট পরিসর। ওই শোভাযাত্রার উদ্যোক্তা চারুপীঠ আর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব জামিল শামীম। পরের বছর যশোরের বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে এটি আরো জমকালো আকার নেয়।
১৯৮৯ সালের ১৪ এপ্রিল মোতাবেক ১৩৯৬ সনের ১ বৈশাখ ঢাকা ইউনিভার্সিটির চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে হরেক রঙের মুখোশ তৈরি করিয়ে রাজধানী শহরে প্রথম শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করেন মাহবুব জামিল শামীম। পরের বছর ১৯৯০ সালে চারুশিল্পী পরিষদ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শোভাযাত্রার নিয়ন্ত্রণ নেয়। শিল্পী তরুণ ঘোষের ডিজাইন করা শোভাযাত্রার পোস্টার ছাপানো হয়। ১৯৯৩ সালে আনন্দ শোভাযাত্রার নতুন নামকরণ করা হয় “মঙ্গল শোভাযাত্রা”। নতুন নামকরণের প্রধান ভূমিকা পালন করেন শিল্পী তরুণ ঘোষ। ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহিদুল হক ও শিল্পী এমদাদ হোসেন “মঙ্গল শোভাযাত্রা” নামকরণের প্রস্তাব দেন।
১৯৮৯ সালের ১৪ এপ্রিল মোতাবেক ১৩৯৬ সনের ১ বৈশাখ ঢাকা ইউনিভার্সিটির চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে হরেক রঙের মুখোশ তৈরি করিয়ে রাজধানী শহরে প্রথম শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করেন মাহবুব জামিল শামীম। পরের বছর ১৯৯০ সালে চারুশিল্পী পরিষদ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শোভাযাত্রার নিয়ন্ত্রণ নেয়। শিল্পী তরুণ ঘোষের ডিজাইন করা শোভাযাত্রার পোস্টার ছাপানো হয়। ১৯৯৩ সালে আনন্দ শোভাযাত্রার নতুন নামকরণ করা হয় “মঙ্গল শোভাযাত্রা”। নতুন নামকরণের প্রধান ভূমিকা পালন করেন শিল্পী তরুণ ঘোষ। ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহিদুল হক ও শিল্পী এমদাদ হোসেন “মঙ্গল শোভাযাত্রা” নামকরণের প্রস্তাব দেন।
শিল্পী তরুণ ঘোষ মঙ্গল শোভাযাত্রার কাঠামোগত পরিকল্পনার সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি ইন্ডিয়ার বরোদা আর্ট ইনস্টিটিউটে পড়ালেখা করেছেন। ইন্ডিয়ার সে অঞ্চলে বাংলা নববর্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের দেব-দেবীর বাহন বিভিন্ন প্রাণীর মোটিফ নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। তরুণ ঘোষ সেসব মোটিফ তৈরির কৌশল শিখেন। বাংলাদেশে এসে তিনি হিন্দু দেব-দেবীদের বাহন প্রাণীদের মোটিভ তৈরির নেতৃত্ব দেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান দেব-দেবীদের বাহন হিসেবে বিভিন্ন পশুপাখি বা প্রাণীকে পবিত্র মনে করা হয়। যা নিজ নিজ দেবতার শক্তি ও প্রকৃতির প্রতীক। দেব-দেবীদের প্রধান বাহনগুলোর নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
দেবী দুর্গা: সিংহ
গণেশ: ইঁদুর (মুষিক)
সরস্বতী: হংস (রাজহাঁস) বা ময়ূর
লক্ষ্মী: পেঁচা
শিব: নন্দী (শ্বেত ষাঁড়)
বিষ্ণু: গরুড়
কার্তিক: ময়ূর
কালভৈরব: কুকুর
যমরাজ: মহিষ
ইন্দ্র: ঐরাবত (হাতি)
কুবের: মানুষ
ষষ্ঠী: বিড়াল
শীতলা: গাধা
শনি: কাক/শকুন
ধর্মঠাকুর: ঘোড়া
দেব-দেবী কি? দেবী ঈশ্বরীর সংস্কৃত প্রতিশব্দ। এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক শব্দ দেব। দেবী সনাতন ধর্মের একটি স্বত্ত্বা। যা স্বর্গীয় ও ঐশ্বরিক বা শ্রেষ্ঠত্বকে বুঝায়। দেবীর ধারণা এবং আরাধনা পদ্ধতি খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ বছর পূর্বে রচিত বেদ গ্রন্থে উল্লেখ আছে। তবে এসব দেবীর কোনো আকার বা চিত্র উল্লেখ নেই। সে সময় এ দেবীগণ কেন্দ্রীয় চরিত্ররূপে আবির্ভূত হননি। দেব-দেবীর বিস্তার লাভ করে পৌরাণিক যুগে বিভিন্ন ধর্মীয় মহাকাব্য (পুরাণ) এর মাধ্যমে। লক্ষ্মী, সরস্বতী ও উমার মতো দেবীর পূজা আরম্ভ হয়েছে আধুনিক কালে।
দেব-দেবী কি? দেবী ঈশ্বরীর সংস্কৃত প্রতিশব্দ। এটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক শব্দ দেব। দেবী সনাতন ধর্মের একটি স্বত্ত্বা। যা স্বর্গীয় ও ঐশ্বরিক বা শ্রেষ্ঠত্বকে বুঝায়। দেবীর ধারণা এবং আরাধনা পদ্ধতি খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ বছর পূর্বে রচিত বেদ গ্রন্থে উল্লেখ আছে। তবে এসব দেবীর কোনো আকার বা চিত্র উল্লেখ নেই। সে সময় এ দেবীগণ কেন্দ্রীয় চরিত্ররূপে আবির্ভূত হননি। দেব-দেবীর বিস্তার লাভ করে পৌরাণিক যুগে বিভিন্ন ধর্মীয় মহাকাব্য (পুরাণ) এর মাধ্যমে। লক্ষ্মী, সরস্বতী ও উমার মতো দেবীর পূজা আরম্ভ হয়েছে আধুনিক কালে।
মধ্যযুগীয় পুরাণে দেব-দেবী ও তাদের বাণী সম্বলিত পৌরাণিক কাহিনী ও সাহিত্য বিস্তার লাভ করে। যেমন: দেবী মহামায়া এ সময় চিরসত্য ও পরম ক্ষমতার প্রতিভূরূপে আবির্ভূত হন। সনাতন ধর্মে শাক্ত মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন।
আওয়ামী সরকারের আমলে কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি আদায়ের দৌড়ঝাপ শুরু হয়। কারণ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মতাদর্শ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজকদের মতাদর্শ অভিন্ন। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২০০৩ কনভেনশনের ১১তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পরিষদের সভায় ঢাকার মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মঙ্গল শোভাযাত্রা অন পহেলা বৈশাখ (বাংলা: পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা) শিরোনামে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় হিন্দু সম্প্রদায়ের দেব-দেবীদের বাহনের মোটিভকে হাইলাইট ও মুসলিম সম্প্রদায়ের দাড়ি-টুপিকে হেয় প্রতিপন্ন করে মোটিভ তৈরী করায় ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার এসব সমালোচনাকে পরোয়া করেনি। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে হাসিনার পতনের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
স্বাভাবিক ভাবে মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের দাবি ওঠে। ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ মঙ্গল শোভাযাত্রার পূর্বের নাম বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২৫ সালের আনন্দ শোভাযাত্রায় ছাত্র-জনতার গণবিপ্লব সম্পৃক্ত বেশ কিছু প্রতিকৃতি সংযোজন করা হয়। তন্মধ্যে অন্যতম ছিল পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাক্ষুসে প্রতিকৃতি “ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি”।
২০২৬ সালে নবগঠিত সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপে শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের পদক্ষেপকে “প্রয়োজন ছিল না” বলে আখ্যা দেন। তার এ বক্তব্যের পর সারাদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি শোভাযাত্রার নাম পুনরায় পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। এ শোভাযাত্রার নাম “বৈশাখী শোভাযাত্রা” করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়। বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে।
বলা হচ্ছে বাংলা নববর্ষের কথিত শোভাযাত্রা নাকি বাঙ্গালী জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্য। মোঘল সম্রাট জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবরের আমলে প্রবর্তিত বাংলা ক্যালেন্ডারের বয়স ৪৬৯ বছর (১৫৫৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত)। ১৯৮৯ সাল থেকে আয়োজন করা একটি শোভাযাত্রা হাজার বছরের ঐতিহ্য হয় কি করে? কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় দাড়ি-টুপির মোটিফ বানিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে হেয় করা হয়েছে। ২০১৪ সালের শোভাযাত্রায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার হাতে পেট্রোল বোমা দিয়ে মোটিফ বানানো হয়েছে। রাজনৈতিক দলের প্রধানকে হেয় করবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের দাড়ি-টুপিকে হেয় করবেন। একটি সম্প্রদায়ের দেব-দেবীর বাহনের মোটিফ বানিয়ে শোভাযাত্রা করবেন। এর নাম দেবেন মঙ্গল শোভাযাত্রা। এতে কারো মঙ্গল হবে কি? আপনি যে নামেই নামকরণ করুন না কেন এটা কখনো জাতির প্রাণের উৎসব হবে না। বাঘ বিড়াল হলেও তার দন্ত-নখর হিংস্র থাকে। হুজুগে বাঙ্গালীকে এসব কে বুঝাবে?

বলা হচ্ছে বাংলা নববর্ষের কথিত শোভাযাত্রা নাকি বাঙ্গালী জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্য। মোঘল সম্রাট জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবরের আমলে প্রবর্তিত বাংলা ক্যালেন্ডারের বয়স ৪৬৯ বছর (১৫৫৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত)। ১৯৮৯ সাল থেকে আয়োজন করা একটি শোভাযাত্রা হাজার বছরের ঐতিহ্য হয় কি করে? কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় দাড়ি-টুপির মোটিফ বানিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে হেয় করা হয়েছে। ২০১৪ সালের শোভাযাত্রায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার হাতে পেট্রোল বোমা দিয়ে মোটিফ বানানো হয়েছে। রাজনৈতিক দলের প্রধানকে হেয় করবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের দাড়ি-টুপিকে হেয় করবেন। একটি সম্প্রদায়ের দেব-দেবীর বাহনের মোটিফ বানিয়ে শোভাযাত্রা করবেন। এর নাম দেবেন মঙ্গল শোভাযাত্রা। এতে কারো মঙ্গল হবে কি? আপনি যে নামেই নামকরণ করুন না কেন এটা কখনো জাতির প্রাণের উৎসব হবে না। বাঘ বিড়াল হলেও তার দন্ত-নখর হিংস্র থাকে। হুজুগে বাঙ্গালীকে এসব কে বুঝাবে?
উপসংহার: প্রত্যেক মানুষের আলাদা আলাদা ধর্ম, সংস্কৃতি ও উৎসব আছে। যার যার ধর্ম ও সংস্কৃতি মোতাবেক সে তার উৎসব পালন করবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্প্রদায়গুলোর উৎসব পালনে সহযোগিতা করা। ব্যক্তি বিশেষের প্রবর্তন করা উৎসব ও শোভাযাত্রাকে জাতির প্রাণের উৎসব তকমা দিয়ে তালগোল পাকানো সমীচিন হবে না।
তথ্যসূত্র:
- quora.com
- Wikipedia
- দৈনিক প্রথম আলো
- ওয়েব
ক্যাটাগরি: উপসম্পাদকীয়, প্রধান কলাম, প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, মন্তব্য প্রতিবেদন, শীর্ষ তিন, সম্পাদকীয়

