, .
সর্বশেষ খবর:
মানবিক সেবার ব্রত নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে গিয়াস উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শক্তিশালী সদস্যপ্রার্থী গিয়াস উদ্দিন দিল্লিতে উপদেষ্টা হয়রানী: কিছু জরুরি বিষয় চট্টগ্রামে ভাঙ্গারী দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ১ শিশুদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর দলদাসত্বমূলক বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সাথে সাক্ষাতে ইন্টারকম সুবিধা চট্টগ্রামে বিএনপি’র সাফল্য চট্টগ্রামে একই গ্রাম থেকে ৩ জন এমপি! চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট: ১০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য থমকে গেছে! চট্টগ্রামে কারখানায় বিস্ফোরণ: ৩ শ্রমিক আহত সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ‘গণজোটের’ বিবৃতি

২০ মে ড. মির শাহ আলমকে সংবর্ধনা ও মত‌বিনিময় সভা

২০০৬ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

বাংলাদেশ বেতার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সাবেক পরিচালক ড. মির শাহ আলম ভাই। অত্যন্ত গুণী একজন মানুষ। তিনি প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়াতে কাজ করছেন। সদালাপী, পরোপকারী, সংস্কৃতিমনা একজন ব্যক্তিত্ব।

দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। মিডিয়ার বহু সাংবাদিকদের সাথে রয়েছে তার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। তিনি সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ’র প্রধান উপদেষ্টা। এই ক্লাবের শতাধিক শাখা গঠন করেছেন তিনি। যা সারা দেশে কাজ করে।

তিনি ২০১৮ সালে ওডিসা ভারতের বিশ্ব রেডিও দিবসে সঞ্জিব পাটিল কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হন। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক ডজন ক্লাব অংশগ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার ব্যবস্থার মেকানিজম উন্নত করার এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তার সাফল্যের ওপর জোর দেওয়ার জন্য তার মধ্যে একটি ভিন্ন প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তিনি সরকারি চাকরি করার পাশাপাশি শিক্ষক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বহু-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়।

তার লেখা ‘সাংবাদিকের চোখে মির শাহ আলম’ নামে একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাকে নিয়ে শেষবেলা গ্রন্থে বিভিন্ন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মিডিয়া, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তার কর্মজীবনের মূল্যায়ন, তার সৃজনশীলতা, তার কর্মনৈপূণ্যতা নিয়ে লিখেছেন। এছাড়া তার লেখা একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

ড. মির শাহ আলম বাংলাদেশ সরকারের ৮ম বিসিএস পাশ করার পর কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি শুরু করেন। আবার ১৯৯১ সালে নবম বিসিএস পাস করে সিলেটে পদায়নকৃত বাংলাদেশ বেতারের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৩ সালে তিনি বরিশালে বদলি হন। বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে এবং ২০০৮ সালে তিনি আবার সিলেটের আঞ্চলিক পরিচালকের পদে অধিষ্ঠিত হন। বেতারের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য তিনি প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন। ডঃ মির শাহ আলম ২০১৪ সালে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তীতে শিক্ষা পরিচালক হিসেবে ঢাকায় স্থানান্তরিত হন।

তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি জানেন কিভাবে লক্ষ্যে পৌঁছতে বাস্তব জীবনে সংগ্রাম করতে হয়। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করাই তার জীবনের মূলমন্ত্র। প্রতিটি উন্নয়নশীল সমাজের জন্য ড. মির শাহ আলমের মতো একজন মানুষ আমাদের অবশ্যই দরকার। তিনি অত্যন্ত সৃজনশীল কর্মী এবং সেই সাথে তিনি একজন সমাজসেবক।

ড. মির শাহ আলম ভাইকে আমি ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘদিন থেকে চিনি। সহকর্মী, বন্ধুবান্ধবের সাথে তার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। ভাইয়ার আমন্ত্রণে তাদের ক্লাবের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ ঘটেছিলো। সেসব অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

আগামী ২০ মে ৫২ টিভি’র আয়োজনে ড. মির শাহ আলম ভাইয়ের সাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও সংবর্ধনার অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও ফলপ্রসূ হবে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে বিশদ ধারণা পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি।

মির শাহ আলমকে সংবর্ধনা জানানোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। ৫২ টিভি’র পরিবারকে আন্তরিক শুভাশিস।

আনজুমান আরা শিল্পী
সহ সভাপতি
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল (ডিএসইসি)

সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতি (বানাসাস)

 

প্রতি‌বেদক: খায়রুল আকরাম খান

Some text

ক্যাটাগরি: Uncategorized

Leave a Reply

Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

Voltslot Nederland review: bonussen, betaalmethoden…

Voltslot promo code: stappen en…

Chicken Road – Online Casino…