মঙ্গলবার সকাল ১১:০৪, ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ. ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ খবর:
চট্টগ্রামে ভাঙ্গারী দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ১ শিশুদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর দলদাসত্বমূলক বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সাথে সাক্ষাতে ইন্টারকম সুবিধা চট্টগ্রামে বিএনপি’র সাফল্য চট্টগ্রামে একই গ্রাম থেকে ৩ জন এমপি! চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট: ১০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য থমকে গেছে! চট্টগ্রামে কারখানায় বিস্ফোরণ: ৩ শ্রমিক আহত সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে ‘গণজোটের’ বিবৃতি হাফেজ আবুল হাসান কুমিল্লার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল ‘আমার স্ত্রী মাকসুদাকে মেরে ফেলেছি, আমাকে থানায় নিয়ে যান’ বন্যার্তদের জন্য জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আলোচনাসভা ও দোয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া আয়কর আইনজীবী সমিতির অভিষেক ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

আখের সঙ্গে ভাগ্য বদলের প্রচেষ্টায় প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে

৮০৭ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদেরকে সহায়তাকল্পে ‘আখের সাথে সাথি ফসল হিসাবে ডাল, মসলা ও সবজি জাতীয় ফসল উৎপাদন প্রকল্প’ নামে ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০২১-২২ অর্থ বছর হতে শুরু হয়েছে। ১৫টি সুগার মিল এলাকায় এই প্রকল্প কাজ করছে।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আবু তাহের সোহেলের কাছে প্রতি প্লটে কৃষককে কত টাকা দিতে হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কৃষককে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। সার, কীটনাশক, বীজ, মসলাসহ চাষাবাদ সামগ্রী আলাদা আলাদা ভাবে ক্রয় করে কৃষককে সরবরাহ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে কৃষক নিজেই শ্রমিকের কাজটা করতে চান। সেক্ষেত্রে কীটনাশক প্রয়োগ, সার প্রয়োগ, নালা তৈরি, ফসল সংগ্রহে শ্রমিকের মজুরি বাবদ যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়, সেটি কৃষককে দিয়ে দেই। উপকারভোগী কয়েকজন কৃষকের সাথে আলাপ করলে তারা এই প্রকল্পে যথেষ্ট উপকার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

নাটোরের কৃষক গোলাম রসুল বলেন, আমি ১ বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে আখের সঙ্গে সাথি ফসল রসুন চাষ করে ৩০ মণ রসুন পেয়েছি যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। রসুন উত্তোলনের পর ২য় সাথি ফসল মুগডাল চাষ করে ৩ মণ মুগডাল পেয়েছি। এছাড়াও আমি ১ বিঘা জমি থেকে বিএসআরআই আখ ৪২ (রং বিলাশ) জাতের ৮০০০ টি চিবিয়ে খাওয়া আখ ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় পাইকারদের কাছে বিক্রি করেছি। যা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনা ও সাংসারিক ব্যয় মেটাচ্ছি।

রাজশাহীর কৃষক আমিন উদ্দিন সরকার , প্রকল্প থেকে সাথি ফসল ও আখ চাষের যাবতীয় খরচ পাওয়ার কথা জানান। তিনি ১ বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে আখের সঙ্গে সাথি ফসল পেঁয়াজ চাষ করে প্রায় ৫০ মণ পেঁয়াজ যার বাজার মূল্য অর্ধ লক্ষাধিখ টাকা। এছাড়াও আখ বিক্রি করে ভালো লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও উপকারভোগী কৃষকরা বলেছেন, এমন প্রকল্প চলমান থাকলে অনেকেই আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং আখের আবাদ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে বিএসআরআই এর মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, সাথি ফসল চাষ করিয়ে কৃষকদের আর্থিক ভাবে লাভবান করানোই হচ্ছে এই প্রকল্পের মুল লক্ষ্য।

সূত্র : ইত্তেফাক

Some text

ক্যাটাগরি: Uncategorized

Leave a Reply