শনিবার রাত ৩:২১, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ. ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
Advertisement
সর্বশেষ খবর:
শেষ হল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাষা সাহিত্য সাংবাদিকতা কোর্স মুফতি মুবারকুল্লাহকে আদ-দাঈর `লেখক সম্মাননা স্মারক` প্রদান মহামন্দার শঙ্কায় বিশ্বঅর্থনী‌তি: অচলায়ত‌নে বাংলা‌দেশ মুহুরীনির্ভর আদালত ন‍্যায়বিচারের প্রতিবন্ধক আমি কেন অনলাইনে শিক্ষা ও জ্ঞান বিতরণের বিরোধী: জাকির মাহদিন ‌তিতাস ট্রেনের দুর্নী‌তি-অব্যবস্থাপনা চর‌মে: যাত্রীভোগা‌ন্তি সীমাহীন বিএমএসএফ`র উ‌দ্যোগে ঢাকায় `জার্নালিস্ট শেল্টার হোম`: সব সাংবাদিকের জন্য উন্মুক্ত মুখের ভাষা বাংলা, অস্তিত্বের ভাষা নয়: জাকির মাহদিন ভারত‌কে ব‌লে‌ছি শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে যা যা করা দরকার সবই করুন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী অপ‌টিমাম আই‌টি‌ ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ায় শুরু হচ্ছে ফ্রিল্যা‌ন্সিং মাস্টার কোর্স শুক্রবার ঢাকায় আদ-দাঈর কো‌র্সে জা‌কির মাহ‌দি‌নের ক্লাস: সবার জন্য উন্মুক্ত কেন্দুয়া-নেত্রকোনা আ’লীগ নেতাকর্মী‌দের দ‌লে দ‌লে বিএনপিতে যোগদান

২০ মে ড. মির শাহ আলমকে সংবর্ধনা ও মত‌বিনিময় সভা

৪৮০ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

বাংলাদেশ বেতার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সাবেক পরিচালক ড. মির শাহ আলম ভাই। অত্যন্ত গুণী একজন মানুষ। তিনি প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মিডিয়াতে কাজ করছেন। সদালাপী, পরোপকারী, সংস্কৃতিমনা একজন ব্যক্তিত্ব।

দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। মিডিয়ার বহু সাংবাদিকদের সাথে রয়েছে তার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। তিনি সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ’র প্রধান উপদেষ্টা। এই ক্লাবের শতাধিক শাখা গঠন করেছেন তিনি। যা সারা দেশে কাজ করে।

তিনি ২০১৮ সালে ওডিসা ভারতের বিশ্ব রেডিও দিবসে সঞ্জিব পাটিল কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হন। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক ডজন ক্লাব অংশগ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার ব্যবস্থার মেকানিজম উন্নত করার এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তার সাফল্যের ওপর জোর দেওয়ার জন্য তার মধ্যে একটি ভিন্ন প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। তিনি সরকারি চাকরি করার পাশাপাশি শিক্ষক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বহু-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়।

তার লেখা ‘সাংবাদিকের চোখে মির শাহ আলম’ নামে একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাকে নিয়ে শেষবেলা গ্রন্থে বিভিন্ন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মিডিয়া, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তার কর্মজীবনের মূল্যায়ন, তার সৃজনশীলতা, তার কর্মনৈপূণ্যতা নিয়ে লিখেছেন। এছাড়া তার লেখা একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

ড. মির শাহ আলম বাংলাদেশ সরকারের ৮ম বিসিএস পাশ করার পর কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি শুরু করেন। আবার ১৯৯১ সালে নবম বিসিএস পাস করে সিলেটে পদায়নকৃত বাংলাদেশ বেতারের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৩ সালে তিনি বরিশালে বদলি হন। বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে এবং ২০০৮ সালে তিনি আবার সিলেটের আঞ্চলিক পরিচালকের পদে অধিষ্ঠিত হন। বেতারের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য তিনি প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন। ডঃ মির শাহ আলম ২০১৪ সালে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তীতে শিক্ষা পরিচালক হিসেবে ঢাকায় স্থানান্তরিত হন।

তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি জানেন কিভাবে লক্ষ্যে পৌঁছতে বাস্তব জীবনে সংগ্রাম করতে হয়। গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করাই তার জীবনের মূলমন্ত্র। প্রতিটি উন্নয়নশীল সমাজের জন্য ড. মির শাহ আলমের মতো একজন মানুষ আমাদের অবশ্যই দরকার। তিনি অত্যন্ত সৃজনশীল কর্মী এবং সেই সাথে তিনি একজন সমাজসেবক।

ড. মির শাহ আলম ভাইকে আমি ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘদিন থেকে চিনি। সহকর্মী, বন্ধুবান্ধবের সাথে তার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। ভাইয়ার আমন্ত্রণে তাদের ক্লাবের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ ঘটেছিলো। সেসব অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

আগামী ২০ মে ৫২ টিভি’র আয়োজনে ড. মির শাহ আলম ভাইয়ের সাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও সংবর্ধনার অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও ফলপ্রসূ হবে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে বিশদ ধারণা পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি।

মির শাহ আলমকে সংবর্ধনা জানানোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। ৫২ টিভি’র পরিবারকে আন্তরিক শুভাশিস।

আনজুমান আরা শিল্পী
সহ সভাপতি
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল (ডিএসইসি)

সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতি (বানাসাস)

 

প্রতি‌বেদক: খায়রুল আকরাম খান

Some text

ক্যাটাগরি: Uncategorized

Leave a Reply